কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর তার অফিস থেকে মদ উদ্ধারের মামলায় আজ আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন। ঢাকা দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত‑২-এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী রায় ঘোষণা করেন। আদালত রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই আসিফকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হলো।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও এলাকায় আসিফের অফিস থেকে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে মদটি পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি পুলিশ ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর।
বিচার প্রক্রিয়ার সময় আদালত তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করেন। আজ যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণা করা হয়, যেখানে আসিফ নিজে উপস্থিত ছিলেন।
খালাস পাওয়া পর আসিফ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত এবং আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। আদালতের এই রায়ে মামলাটি শেষ হয়েছে এবং আসিফের বিরুদ্ধে আর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই। রায়ের ফলে আসিফ আকবর ও তার সমর্থকদের মধ্যে সন্তোষ ও স্বস্তি বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর তার অফিস থেকে মদ উদ্ধারের মামলায় আজ আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন। ঢাকা দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত‑২-এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী রায় ঘোষণা করেন। আদালত রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই আসিফকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হলো।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও এলাকায় আসিফের অফিস থেকে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে মদটি পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি পুলিশ ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর।
বিচার প্রক্রিয়ার সময় আদালত তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করেন। আজ যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণা করা হয়, যেখানে আসিফ নিজে উপস্থিত ছিলেন।
খালাস পাওয়া পর আসিফ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত এবং আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। আদালতের এই রায়ে মামলাটি শেষ হয়েছে এবং আসিফের বিরুদ্ধে আর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই। রায়ের ফলে আসিফ আকবর ও তার সমর্থকদের মধ্যে সন্তোষ ও স্বস্তি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন