মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত থেকে উপসাগরীয় দেশ কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর এটিই দেশগুলোর ওপর ইরানের সবচেয়ে বড় সমন্বিত আক্রমণ।
কাতারের রাজধানী দোহায় স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয় জনপদ। আল জাজিরার প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া গ্যাটেনবাই জানিয়েছেন, শহরে ১২টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
একই সময়ে বাহরাইনের সিত্রা এলাকায় ড্রোন হামলায় ৩২ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই মাসের একটি শিশুও রয়েছে। বাহরাইন প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শায়বাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে চালানো বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা তারা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। এছাড়া রাজধানী রিয়াদের উত্তর দিকে আরও দুটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি বাহিনী। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ইরানের ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, তবে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এই হামলাগুলো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা। বিশেষ করে যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা রয়েছে, সেগুলোকেই ইরান লক্ষ্যবস্তু করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত থেকে উপসাগরীয় দেশ কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর এটিই দেশগুলোর ওপর ইরানের সবচেয়ে বড় সমন্বিত আক্রমণ।
কাতারের রাজধানী দোহায় স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয় জনপদ। আল জাজিরার প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া গ্যাটেনবাই জানিয়েছেন, শহরে ১২টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
একই সময়ে বাহরাইনের সিত্রা এলাকায় ড্রোন হামলায় ৩২ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই মাসের একটি শিশুও রয়েছে। বাহরাইন প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শায়বাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে চালানো বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা তারা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। এছাড়া রাজধানী রিয়াদের উত্তর দিকে আরও দুটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি বাহিনী। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ইরানের ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, তবে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এই হামলাগুলো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা। বিশেষ করে যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা রয়েছে, সেগুলোকেই ইরান লক্ষ্যবস্তু করছে।

আপনার মতামত লিখুন