মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের জরুরি নয় এমন কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। রবিবার (৮ মার্চ) এক জরুরি নোটিশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ক্রমবর্ধমান হামলা
গত এক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, দূতাবাস এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের পক্ষ থেকে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান এই পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের প্রতি সতর্কতা
দূতাবাস কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জন্যও নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে:
ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা: যারা সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত পুনরায় ভেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঝুঁকির কারণ: ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে বলা হয়েছে।
সংঘাতের প্রেক্ষাপট
গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘ ২১ দিনের সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় এই সামরিক অভিযান। বর্তমানে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো সরাসরি ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের জরুরি নয় এমন কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। রবিবার (৮ মার্চ) এক জরুরি নোটিশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ক্রমবর্ধমান হামলা
গত এক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, দূতাবাস এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের পক্ষ থেকে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান এই পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের প্রতি সতর্কতা
দূতাবাস কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জন্যও নতুন ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে:
ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা: যারা সৌদি আরব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত পুনরায় ভেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঝুঁকির কারণ: ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে বলা হয়েছে।
সংঘাতের প্রেক্ষাপট
গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘ ২১ দিনের সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় এই সামরিক অভিযান। বর্তমানে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো সরাসরি ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন