চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণে আজ স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ সন্ধ্যায় নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, যার সাথে জড়িয়ে আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ঘোষিত প্রায় ১৬৪ কোটি টাকার বিশাল এক প্রাইজমানি।
আইসিসি এবারের আসরের জন্য মোট ১৩.৫ মিলিয়ন ডলারের বিশাল পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। শক্তিশালী সম্প্রচার চুক্তি এবং বড় মাপের স্পন্সরশিপের কল্যাণে পুরস্কারের এই অংকটি ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আইসিসির তথ্যমতে, আজকের ফাইনালে যে দল বিজয়ী হবে তারা ট্রফির পাশাপাশি ঘরে তুলবে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১.৬ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
পুরস্কারের এই বণ্টন কেবল ফাইনালিস্টদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল পাচ্ছে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার) করে। এ ছাড়া সুপার-এইট পর্বে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল পাবে প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা (৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার)। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দলগুলোর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সকে উৎসাহিত করতেই আইসিসি এমন সুবিন্যস্ত কাঠামো তৈরি করেছে।
এবারের আসরে অংশ নেওয়া ২০টি দলের কেউ খালি হাতে ফিরছে না। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যও আইসিসি প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা (২ লাখ ৫০ হাজার ডলার) বরাদ্দ রেখেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক শক্তি এবং জনপ্রিয়তাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই পুরস্কারের এই অংকে এমন উল্লম্ফন ঘটানো হয়েছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণে আজ স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ সন্ধ্যায় নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, যার সাথে জড়িয়ে আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ঘোষিত প্রায় ১৬৪ কোটি টাকার বিশাল এক প্রাইজমানি।
আইসিসি এবারের আসরের জন্য মোট ১৩.৫ মিলিয়ন ডলারের বিশাল পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। শক্তিশালী সম্প্রচার চুক্তি এবং বড় মাপের স্পন্সরশিপের কল্যাণে পুরস্কারের এই অংকটি ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আইসিসির তথ্যমতে, আজকের ফাইনালে যে দল বিজয়ী হবে তারা ট্রফির পাশাপাশি ঘরে তুলবে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১.৬ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
পুরস্কারের এই বণ্টন কেবল ফাইনালিস্টদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল পাচ্ছে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার) করে। এ ছাড়া সুপার-এইট পর্বে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল পাবে প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা (৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার)। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দলগুলোর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সকে উৎসাহিত করতেই আইসিসি এমন সুবিন্যস্ত কাঠামো তৈরি করেছে।
এবারের আসরে অংশ নেওয়া ২০টি দলের কেউ খালি হাতে ফিরছে না। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যও আইসিসি প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা (২ লাখ ৫০ হাজার ডলার) বরাদ্দ রেখেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক শক্তি এবং জনপ্রিয়তাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই পুরস্কারের এই অংকে এমন উল্লম্ফন ঘটানো হয়েছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন