লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সির এল ঘারবিয়ে গ্রামে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) রবিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই গ্রামের একটি তিনতলা ভবন লক্ষ্য করে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে শক্তিশালী বোমা বর্ষণ করা হয়। আকস্মিক এই হামলায় মুহূর্তের মধ্যেই ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হামলার পরপরই দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নামেন স্থানীয় সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা। তারা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ লেবানন সীমান্ত জুড়ে ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা এবং বিমান হামলা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেসামরিক জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সির এল ঘারবিয়ে গ্রামে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) রবিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই গ্রামের একটি তিনতলা ভবন লক্ষ্য করে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে শক্তিশালী বোমা বর্ষণ করা হয়। আকস্মিক এই হামলায় মুহূর্তের মধ্যেই ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হামলার পরপরই দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নামেন স্থানীয় সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা। তারা বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ লেবানন সীমান্ত জুড়ে ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা এবং বিমান হামলা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেসামরিক জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন