রংপুরের বদরগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা যৌথভাবে পুলিশকে সাপ্তাহিক ঘুষ দিয়ে যমুনেশ্বরী নদী থেকে অবাধে বালু তুলে যাচ্ছেন। এতে মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি মহাসড়ক, যমুনেশ্বরী সেতু এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কুতুবপুর ইউনিয়নের দালালপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে নাহিদ লিখন এবং পার্শ্ববর্তী পয়েন্টে বিএনপির সহ-সভাপতি অহিদুল হকসহ একাধিক নেতাকর্মীর বালুর পয়েন্ট রয়েছে। নাটারাম এলাকার ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এ রকম ১৮টি অবৈধ বালুর পয়েন্ট সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার বালুবাহী গাড়ি নাগেরহাট বন্দরের পাকা সড়ক ধরে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এতে এলজিইডির সড়কে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ সার্বক্ষণিক দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকেন। গেল ৯ ফেব্রুয়ারি ইউপি সদস্যের বালুর পয়েন্টের গর্তে পড়ে শিশু শিক্ষার্থী মো. সিয়াম (৮) নিহত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বালু ব্যবসায়ীরা জানান, থানায় সাপ্তাহিক মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েই পয়েন্টগুলো চলছে এবং প্রশাসনের অভিযানের আগে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়। তবে বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আঞ্জুমান সুলতানা স্বীকার করেছেন যে অভিযানের খবর আগেই ফাঁস হয়ে যায়। 'সেতু বাঁচাও, বাঁধ বাঁচাও, নদী বাঁচাও' কমিটি জানায়, এই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে আমার দেশ-এর স্থানীয় প্রতিনিধি এম এ সালাম বিশ্বাস ও সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে বালু সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
রংপুরের বদরগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা যৌথভাবে পুলিশকে সাপ্তাহিক ঘুষ দিয়ে যমুনেশ্বরী নদী থেকে অবাধে বালু তুলে যাচ্ছেন। এতে মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি মহাসড়ক, যমুনেশ্বরী সেতু এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কুতুবপুর ইউনিয়নের দালালপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে নাহিদ লিখন এবং পার্শ্ববর্তী পয়েন্টে বিএনপির সহ-সভাপতি অহিদুল হকসহ একাধিক নেতাকর্মীর বালুর পয়েন্ট রয়েছে। নাটারাম এলাকার ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এ রকম ১৮টি অবৈধ বালুর পয়েন্ট সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার বালুবাহী গাড়ি নাগেরহাট বন্দরের পাকা সড়ক ধরে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এতে এলজিইডির সড়কে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ সার্বক্ষণিক দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকেন। গেল ৯ ফেব্রুয়ারি ইউপি সদস্যের বালুর পয়েন্টের গর্তে পড়ে শিশু শিক্ষার্থী মো. সিয়াম (৮) নিহত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বালু ব্যবসায়ীরা জানান, থানায় সাপ্তাহিক মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েই পয়েন্টগুলো চলছে এবং প্রশাসনের অভিযানের আগে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়। তবে বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আঞ্জুমান সুলতানা স্বীকার করেছেন যে অভিযানের খবর আগেই ফাঁস হয়ে যায়। 'সেতু বাঁচাও, বাঁধ বাঁচাও, নদী বাঁচাও' কমিটি জানায়, এই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে আমার দেশ-এর স্থানীয় প্রতিনিধি এম এ সালাম বিশ্বাস ও সাংবাদিক মনজুরুল আলমকে বালু সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন