যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরুর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, জাহাজের ক্রুদের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে রওনার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সাধারণত এই জাহাজের জন্য ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষার্থে জাহাজটিকে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হতে পারে। এরই মধ্যে এই অঞ্চলে টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগন মোতায়েন করা হয়েছে। তবে সাইপ্রাসকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষায় সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, জানুয়ারি থেকেই এই অঞ্চলে ব্রিটিশ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাইপ্রাসে টাইফুন ও এফ-৩৫ জেট, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত ৪০০ জন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ব্রিটিশ বিমান একাধিক ড্রোন ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস এ বছরের শেষে উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরে অপারেশন ফায়ারক্রেস্টে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সেই পরিকল্পনা স্থগিত রেখেই জাহাজটিকে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরুর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, জাহাজের ক্রুদের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে রওনার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সাধারণত এই জাহাজের জন্য ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষার্থে জাহাজটিকে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হতে পারে। এরই মধ্যে এই অঞ্চলে টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগন মোতায়েন করা হয়েছে। তবে সাইপ্রাসকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষায় সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, জানুয়ারি থেকেই এই অঞ্চলে ব্রিটিশ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাইপ্রাসে টাইফুন ও এফ-৩৫ জেট, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত ৪০০ জন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ব্রিটিশ বিমান একাধিক ড্রোন ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস এ বছরের শেষে উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরে অপারেশন ফায়ারক্রেস্টে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সেই পরিকল্পনা স্থগিত রেখেই জাহাজটিকে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন