ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একটি ইফতার মাহফিলে ব্যানারে নাম থাকা না থাকা এবং উসকানিমূলক বক্তব্যের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত তিনলাখপীর বাজারের ওই অনুষ্ঠানে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও চেয়ার ছোড়াছুড়িতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪ থেকে ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একপর্যায়ে পুরো ইফতার মাহফিলটি পণ্ড হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের নির্দেশনায় এই ইফতার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকলেও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুষ্ঠান চলাকালে কসবা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক ভুইয়া দীপু তার বক্তব্যে বিগত নির্বাচনে দলের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীদের কঠোর সমালোচনা করলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঠিক সেই মুহূর্তে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপন সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যানারে তার নিজের নামসহ ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম না থাকার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান। যুবদল নেতা দীপুর বক্তব্যের রেশ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয় যা দ্রুতই সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই গ্রুপের সমর্থকরা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়তে শুরু করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা জানান যে মূলত ব্যানারে নাম না থাকাকে কেন্দ্র করেই এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের এই ঘটনায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একটি ইফতার মাহফিলে ব্যানারে নাম থাকা না থাকা এবং উসকানিমূলক বক্তব্যের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত তিনলাখপীর বাজারের ওই অনুষ্ঠানে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও চেয়ার ছোড়াছুড়িতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪ থেকে ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একপর্যায়ে পুরো ইফতার মাহফিলটি পণ্ড হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের নির্দেশনায় এই ইফতার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকলেও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুষ্ঠান চলাকালে কসবা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক ভুইয়া দীপু তার বক্তব্যে বিগত নির্বাচনে দলের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীদের কঠোর সমালোচনা করলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঠিক সেই মুহূর্তে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপন সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যানারে তার নিজের নামসহ ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম না থাকার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান। যুবদল নেতা দীপুর বক্তব্যের রেশ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয় যা দ্রুতই সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই গ্রুপের সমর্থকরা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়তে শুরু করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা জানান যে মূলত ব্যানারে নাম না থাকাকে কেন্দ্র করেই এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের এই ঘটনায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন