রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌঘাঁটি নোভোরোসিস্কে ইউক্রেনের হামলায় রুশ নৌবাহিনীর দুটি ফ্রিগেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২ মার্চ ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলে পরিচালিত ওই হামলার বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের দুটি জাহাজ — ফ্রিগেট অ্যাডমিরাল এসেন ও অ্যাডমিরাল মাকারভ — ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও মূল্যায়ন চলছে এবং অন্যান্য নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা সিকিউরিটি সার্ভিস অব ইউক্রেনের একটি সূত্র জানিয়েছিল, একই হামলায় রাশিয়ার মাইনসুইপার ভালেন্তিন পিকুল এবং সাবমেরিনবিরোধী জাহাজ ইয়েসিক ও কাসিমভও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, রাশিয়ার সশস্ত্র আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত শত্রুপক্ষের সামরিক অবকাঠামো ও সামরিক-শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার পর নোভোরোসিস্ক রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের অন্যতম প্রধান ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল রাষ্ট্রীয় পাইপলাইন কোম্পানি ট্রান্সনেফটের একটি প্রধান তেল রফতানি টার্মিনাল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌঘাঁটি নোভোরোসিস্কে ইউক্রেনের হামলায় রুশ নৌবাহিনীর দুটি ফ্রিগেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২ মার্চ ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলে পরিচালিত ওই হামলার বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের দুটি জাহাজ — ফ্রিগেট অ্যাডমিরাল এসেন ও অ্যাডমিরাল মাকারভ — ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও মূল্যায়ন চলছে এবং অন্যান্য নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা সিকিউরিটি সার্ভিস অব ইউক্রেনের একটি সূত্র জানিয়েছিল, একই হামলায় রাশিয়ার মাইনসুইপার ভালেন্তিন পিকুল এবং সাবমেরিনবিরোধী জাহাজ ইয়েসিক ও কাসিমভও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, রাশিয়ার সশস্ত্র আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত শত্রুপক্ষের সামরিক অবকাঠামো ও সামরিক-শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার পর নোভোরোসিস্ক রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের অন্যতম প্রধান ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল রাষ্ট্রীয় পাইপলাইন কোম্পানি ট্রান্সনেফটের একটি প্রধান তেল রফতানি টার্মিনাল।

আপনার মতামত লিখুন