যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে, তাদের যৌথ বিমান হামলার ফলে ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করা ইরানের পক্ষে সম্ভব না হলেও দেশটি ভিন্ন কৌশলে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার পরিকল্পনা নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এখন মূলত “ক্ষয় করার যুদ্ধ” বা war of attrition কৌশল অনুসরণ করছে। এই কৌশলের লক্ষ্য সরাসরি যুদ্ধ জিতে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিপক্ষের অস্ত্র, অর্থ ও সামরিক সক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেওয়া। এতে করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান বিপুল সংখ্যায় তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। এসব হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বাড়ানোই ইরানের লক্ষ্য।
এছাড়া ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রভাণ্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সংরক্ষণ করেছে, যেগুলোকে অনেক সময় “মিসাইল সিটি” বলা হয়। এসব গোপন স্থাপনার কারণে সব সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের আসল লক্ষ্য হলো যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করা এবং পুরো অঞ্চলে সংঘাতের খরচ ও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো চাপের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সমাধানের দিকে যেতে বাধ্য হতে পারে।
অর্থাৎ, সামরিকভাবে সরাসরি বিজয় অর্জনের পরিবর্তে ইরান এমন এক কৌশল নিয়েছে যার মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকা এবং প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে দেওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের যুদ্ধে টিকে থাকাটাই অনেক সময় কৌশলগতভাবে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে, তাদের যৌথ বিমান হামলার ফলে ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করা ইরানের পক্ষে সম্ভব না হলেও দেশটি ভিন্ন কৌশলে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার পরিকল্পনা নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এখন মূলত “ক্ষয় করার যুদ্ধ” বা war of attrition কৌশল অনুসরণ করছে। এই কৌশলের লক্ষ্য সরাসরি যুদ্ধ জিতে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিপক্ষের অস্ত্র, অর্থ ও সামরিক সক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেওয়া। এতে করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান বিপুল সংখ্যায় তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। এসব হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বাড়ানোই ইরানের লক্ষ্য।
এছাড়া ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রভাণ্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সংরক্ষণ করেছে, যেগুলোকে অনেক সময় “মিসাইল সিটি” বলা হয়। এসব গোপন স্থাপনার কারণে সব সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের আসল লক্ষ্য হলো যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করা এবং পুরো অঞ্চলে সংঘাতের খরচ ও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো চাপের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সমাধানের দিকে যেতে বাধ্য হতে পারে।
অর্থাৎ, সামরিকভাবে সরাসরি বিজয় অর্জনের পরিবর্তে ইরান এমন এক কৌশল নিয়েছে যার মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকা এবং প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে দেওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের যুদ্ধে টিকে থাকাটাই অনেক সময় কৌশলগতভাবে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন