মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীর অধিকাংশ বাস কাউন্টারে ঈদুল ফিতরের আগাম টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে গাবতলীসহ ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে যে অনেক পরিবহন কোম্পানিই তাদের নিয়মিত অগ্রিম বুকিং কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম অনিশ্চয়তা ও বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায় যে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের হাতেগোনা কিছু কাউন্টারে চতুর্থ দিনের মতো আগাম টিকিট বিক্রি চললেও অধিকাংশ কাউন্টারই এখন বন্ধ। যারা টিকিট বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি অনেক ক্ষেত্রে অনলাইনেও কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের টিকিট মিলছে না। তবে বাসের ক্ষেত্রে এমন স্থবিরতা দেখা দিলেও অনলাইনে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
যাত্রীদের পক্ষ থেকে আনা বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ অবশ্য নাকচ করে দিয়েছে বাস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি সরকার নির্ধারিত ভাড়াই রাখা হচ্ছে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর তারা নজর রাখছেন। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করছেন যে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এমন ধারণা থেকেই অনেক মালিক আগাম টিকিট বিক্রি করে ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।
টিকিটপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে ঈদের আগে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে যারা কাউন্টারে ভিড় করেছিলেন তারা এখন এক প্রকার জিম্মি দশায় পড়েছেন। পরিস্থিতির উত্তরণ না হলে আসন্ন ঈদ যাত্রায় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় রাজধানীর অধিকাংশ বাস কাউন্টারে ঈদুল ফিতরের আগাম টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে গাবতলীসহ ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে যে অনেক পরিবহন কোম্পানিই তাদের নিয়মিত অগ্রিম বুকিং কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম অনিশ্চয়তা ও বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায় যে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের হাতেগোনা কিছু কাউন্টারে চতুর্থ দিনের মতো আগাম টিকিট বিক্রি চললেও অধিকাংশ কাউন্টারই এখন বন্ধ। যারা টিকিট বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি অনেক ক্ষেত্রে অনলাইনেও কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের টিকিট মিলছে না। তবে বাসের ক্ষেত্রে এমন স্থবিরতা দেখা দিলেও অনলাইনে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
যাত্রীদের পক্ষ থেকে আনা বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ অবশ্য নাকচ করে দিয়েছে বাস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি সরকার নির্ধারিত ভাড়াই রাখা হচ্ছে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর তারা নজর রাখছেন। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করছেন যে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এমন ধারণা থেকেই অনেক মালিক আগাম টিকিট বিক্রি করে ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।
টিকিটপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে ঈদের আগে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে যারা কাউন্টারে ভিড় করেছিলেন তারা এখন এক প্রকার জিম্মি দশায় পড়েছেন। পরিস্থিতির উত্তরণ না হলে আসন্ন ঈদ যাত্রায় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন