ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্ত থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা কার্যকর হবে না। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে উপেক্ষা করে নেতৃত্ব নির্বাচন করার চেষ্টা করলে সেটি সময়ের অপচয় হবে।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে—এ বিষয়ে তিনি অবগত। তবে এমন সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, মুজতবা খামেনিকে তিনি শক্তিশালী নেতৃত্বের উপযুক্ত মনে করেন না। তার মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে এমন একজন ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া প্রয়োজন, যিনি দেশটিতে স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব যদি বর্তমান নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও উত্তেজনা বা সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এর আগে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয় যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তার ছেলে মুজতবা খামেনির নাম সামনে আসছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্ত থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা কার্যকর হবে না। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে উপেক্ষা করে নেতৃত্ব নির্বাচন করার চেষ্টা করলে সেটি সময়ের অপচয় হবে।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে—এ বিষয়ে তিনি অবগত। তবে এমন সিদ্ধান্ত তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, মুজতবা খামেনিকে তিনি শক্তিশালী নেতৃত্বের উপযুক্ত মনে করেন না। তার মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে এমন একজন ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া প্রয়োজন, যিনি দেশটিতে স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব যদি বর্তমান নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও উত্তেজনা বা সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এর আগে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয় যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তার ছেলে মুজতবা খামেনির নাম সামনে আসছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন