সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চৌবাড়ী এলাকায় ১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে রয়েছে। প্রায় তিন একর জমির ওপর নির্মিত আধুনিক এই হাসপাতাল ভবনটি ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হলেও দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার হাজারো মানুষ।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি হস্তান্তরের পর ২০২৪ সালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবল নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো পদে নিয়োগ না হওয়ায় হাসপাতালটি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হলেও জনবল না থাকায় পুরো স্থাপনাটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
নাইট গার্ড না থাকায় নিরাপত্তাহীনতার সুযোগে হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে পানির পাম্প, জেনারেটর, বৈদ্যুতিক লাইট, সিলিং ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে গেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম ধুলাবালিতে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য তাদের জেলা শহর বা দূরের হাসপাতালে যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। এদিকে পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন জানান, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। তবে কবে নাগাদ জনবল নিয়োগ ও কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা হবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত এ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান জনগণের কাজে লাগানো হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চৌবাড়ী এলাকায় ১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে রয়েছে। প্রায় তিন একর জমির ওপর নির্মিত আধুনিক এই হাসপাতাল ভবনটি ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হলেও দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার হাজারো মানুষ।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটি হস্তান্তরের পর ২০২৪ সালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবল নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো পদে নিয়োগ না হওয়ায় হাসপাতালটি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হলেও জনবল না থাকায় পুরো স্থাপনাটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
নাইট গার্ড না থাকায় নিরাপত্তাহীনতার সুযোগে হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে পানির পাম্প, জেনারেটর, বৈদ্যুতিক লাইট, সিলিং ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে গেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম ধুলাবালিতে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য তাদের জেলা শহর বা দূরের হাসপাতালে যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। এদিকে পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন জানান, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। তবে কবে নাগাদ জনবল নিয়োগ ও কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা হবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত এ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান জনগণের কাজে লাগানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন