বর্তমান গতিতে মিসাইল হামলা অব্যাহত থাকলে আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার শূন্য হয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বুধবার বার্তাসংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।
প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় হামলা জোরদার করে বেশ কয়েকটি লঞ্চার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে ইরানের হামলার সক্ষমতা ও পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
তবে গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণে ভিন্ন একটি দিকও উঠে এসেছে। তাদের মতে, ইরান তাদের সব মিসাইল একসাথে ব্যবহার না করে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে একটি বড় অংশ গোপন ভাণ্ডারে মজুদ রাখছে। এই কৌশলের কারণেই হয়তো সাম্প্রতিক সময়ে হামলার গতি কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে, ইরানের মিসাইল প্রতিরোধ করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুদও দ্রুত কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা অস্ত্রের অপচয় নিয়ন্ত্রণ না করলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের আকাশ হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
বর্তমান গতিতে মিসাইল হামলা অব্যাহত থাকলে আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার শূন্য হয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বুধবার বার্তাসংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।
প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় হামলা জোরদার করে বেশ কয়েকটি লঞ্চার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে ইরানের হামলার সক্ষমতা ও পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
তবে গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণে ভিন্ন একটি দিকও উঠে এসেছে। তাদের মতে, ইরান তাদের সব মিসাইল একসাথে ব্যবহার না করে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে একটি বড় অংশ গোপন ভাণ্ডারে মজুদ রাখছে। এই কৌশলের কারণেই হয়তো সাম্প্রতিক সময়ে হামলার গতি কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে, ইরানের মিসাইল প্রতিরোধ করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুদও দ্রুত কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা অস্ত্রের অপচয় নিয়ন্ত্রণ না করলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের আকাশ হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন