ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

পাটগ্রামে বিষ দিয়ে তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, ক্ষতি ৩০ লাখ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬

পাটগ্রামে বিষ দিয়ে তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, ক্ষতি ৩০ লাখ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বিষাক্ত আগাছানাশক প্রয়োগ করে পাঁচ কৃষকের সাত একর জমির তরমুজ ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

দহগ্রাম ইউনিয়নের সরদারপাড়া এলাকার কৃষক ওসমান গণি, আবুল বাশার, শাফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও শাহীনুর রহমান তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে হাইব্রিড 'মাধুরী' জাতের তরমুজ চাষ করেছিলেন। তিন মাস আগে রোপণ করা এই ক্ষেতে সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ বাবদ ১৪ থেকে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। কয়েকদিনের মধ্যেই তরমুজ বাজারজাত করার উপযোগী হতো এবং ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা ছিল তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি নিয়ে প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল মান্নান ও তার ছেলে হাবিবুল্লাহ রাতের অন্ধকারে ক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে গাছগুলো নষ্ট করে দেন। তবে আব্দুল মান্নান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

কৃষক শাফিউল ইসলাম জানান, গরু-ছাগল বিক্রি ও ঋণ নিয়ে তারা এই চাষাবাদ করেছিলেন। এই ক্ষতিতে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন এবং ন্যায়বিচার চান।

গত রোববার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, আগাছানাশক প্রয়োগে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। গাছ বাঁচাতে সেচ ও ডিএপি সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক তাজরুল ইসলাম সরদার জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


পাটগ্রামে বিষ দিয়ে তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, ক্ষতি ৩০ লাখ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বিষাক্ত আগাছানাশক প্রয়োগ করে পাঁচ কৃষকের সাত একর জমির তরমুজ ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

দহগ্রাম ইউনিয়নের সরদারপাড়া এলাকার কৃষক ওসমান গণি, আবুল বাশার, শাফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও শাহীনুর রহমান তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে হাইব্রিড 'মাধুরী' জাতের তরমুজ চাষ করেছিলেন। তিন মাস আগে রোপণ করা এই ক্ষেতে সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ বাবদ ১৪ থেকে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। কয়েকদিনের মধ্যেই তরমুজ বাজারজাত করার উপযোগী হতো এবং ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা ছিল তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি নিয়ে প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল মান্নান ও তার ছেলে হাবিবুল্লাহ রাতের অন্ধকারে ক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে গাছগুলো নষ্ট করে দেন। তবে আব্দুল মান্নান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

কৃষক শাফিউল ইসলাম জানান, গরু-ছাগল বিক্রি ও ঋণ নিয়ে তারা এই চাষাবাদ করেছিলেন। এই ক্ষতিতে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন এবং ন্যায়বিচার চান।

গত রোববার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, আগাছানাশক প্রয়োগে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। গাছ বাঁচাতে সেচ ও ডিএপি সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক তাজরুল ইসলাম সরদার জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ