ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা ও গ্রিনকার্ড ফি বাড়ল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা ও গ্রিনকার্ড ফি বাড়ল

মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং আবেদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘ জট কমাতে এইচ-১বি ভিসাসহ কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ডের প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (ইউএসসিআইএস)।

গত ১ মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ফি-কাঠামোয় এইচ-১বি ভিসা, কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ড ও এল-১ ভিসার আবেদন ফি (আই-১৪০) ২ হাজার ৮০৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৯৬৫ ডলার করা হয়েছে। ও-১, পি, কিউ, ই এবং টিএন ক্যাটাগরির ওয়ার্ক ভিসার ফিও একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় ও মৌসুমি কৃষিকর্মী এইচ-২বি এবং আর-১ ক্যাটাগরির ফি ১ হাজার ৬৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৭৮০ ডলার হয়েছে। এফজে ও এম ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের স্ট্যাটাস পরিবর্তনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৭৫ ডলার। তবে পারিবারিক কোটায় গ্রিনকার্ডের আবেদন ফি এবং শিক্ষার্থীদের ওপিটি ও স্টেম ওপিটি ফি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

ইউএসসিআইএস সতর্ক করে জানিয়েছে, ১ মার্চের পরে পাঠানো আবেদনে পুরোনো হারে ফি জমা দেওয়া হলে সেটি সরাসরি ফেরত পাঠানো হবে। এতে আবেদনকারীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে এবং দ্রুত কাজ শুরু করতে ইচ্ছুকরা দীর্ঘ প্রতীক্ষায় পড়তে পারেন।

নিউইয়র্কের খ্যাতনামা অভিবাসন আইনজীবী অশোক কর্মকার বলেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির বাজারে বাড়তি এই ফি নিয়োগকর্তা ও অভিবাসী কর্মী উভয় পক্ষের জন্যই বাড়তি চাপ তৈরি করবে। তবে জট কমানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ হলে দীর্ঘমেয়াদে আবেদনকারীরা এর সুফল পাবেন বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, আইন অনুযায়ী প্রতি দুই বছর অন্তর প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা থাকায় ভবিষ্যতে এই ফি আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা ও গ্রিনকার্ড ফি বাড়ল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং আবেদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘ জট কমাতে এইচ-১বি ভিসাসহ কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ডের প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (ইউএসসিআইএস)।

গত ১ মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ফি-কাঠামোয় এইচ-১বি ভিসা, কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ড ও এল-১ ভিসার আবেদন ফি (আই-১৪০) ২ হাজার ৮০৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৯৬৫ ডলার করা হয়েছে। ও-১, পি, কিউ, ই এবং টিএন ক্যাটাগরির ওয়ার্ক ভিসার ফিও একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় ও মৌসুমি কৃষিকর্মী এইচ-২বি এবং আর-১ ক্যাটাগরির ফি ১ হাজার ৬৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৭৮০ ডলার হয়েছে। এফজে ও এম ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের স্ট্যাটাস পরিবর্তনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৭৫ ডলার। তবে পারিবারিক কোটায় গ্রিনকার্ডের আবেদন ফি এবং শিক্ষার্থীদের ওপিটি ও স্টেম ওপিটি ফি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

ইউএসসিআইএস সতর্ক করে জানিয়েছে, ১ মার্চের পরে পাঠানো আবেদনে পুরোনো হারে ফি জমা দেওয়া হলে সেটি সরাসরি ফেরত পাঠানো হবে। এতে আবেদনকারীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে এবং দ্রুত কাজ শুরু করতে ইচ্ছুকরা দীর্ঘ প্রতীক্ষায় পড়তে পারেন।

নিউইয়র্কের খ্যাতনামা অভিবাসন আইনজীবী অশোক কর্মকার বলেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির বাজারে বাড়তি এই ফি নিয়োগকর্তা ও অভিবাসী কর্মী উভয় পক্ষের জন্যই বাড়তি চাপ তৈরি করবে। তবে জট কমানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ হলে দীর্ঘমেয়াদে আবেদনকারীরা এর সুফল পাবেন বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, আইন অনুযায়ী প্রতি দুই বছর অন্তর প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা থাকায় ভবিষ্যতে এই ফি আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ