ভোক্তা-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৩ মার্চ দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ আয়োজন করে ক্যাব রাজশাহী। সভায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোক্তা অধিকার, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং আইনি প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাব রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন। ক্যাব ইয়ুথ রাজশাহীর সভাপতি জুলফিকার আলী হায়দারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, জনপ্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. পারভেজ আজহারুল হক এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহিম হোসেন। বক্তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারা, প্রয়োগ পদ্ধতি এবং অভিযোগ দাখিলের প্রক্রিয়া তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর আইনি কাঠামো। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা আজকের ভোক্তা এবং আগামীর নীতিনির্ধারক হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এ আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। বাজারে ভেজাল পণ্য, প্রতারণা ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের মতো অনিয়ম প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিশেষ অতিথি ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, সচেতন ভোক্তা মানেই দায়িত্বশীল নাগরিক। শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অবগত হলে পরিবার ও সমাজকেও সচেতন করতে সক্ষম হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহিম হোসেন জানান, আইনে ভেজাল পণ্য বিক্রি, মিথ্যা বিজ্ঞাপন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অভিযোগ জানালে আইন অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং শিক্ষার্থীদের অনিয়ম দেখলে সাহসের সঙ্গে অভিযোগ করার আহ্বান জানান।
সভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আইনের প্রয়োগ, জরিমানার পরিমাণ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন, যার জবাব দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে ভোক্তা-অধিকার সুরক্ষায় ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে পবা উপজেলা ক্যাবের সভাপতি কাজি নাজমুল ইসলাম ও মোহনপুর উপজেলা ক্যাবের সভাপতি রুবেল সরকারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ভোক্তা-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৩ মার্চ দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ আয়োজন করে ক্যাব রাজশাহী। সভায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোক্তা অধিকার, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং আইনি প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাব রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন। ক্যাব ইয়ুথ রাজশাহীর সভাপতি জুলফিকার আলী হায়দারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, জনপ্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. পারভেজ আজহারুল হক এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহিম হোসেন। বক্তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারা, প্রয়োগ পদ্ধতি এবং অভিযোগ দাখিলের প্রক্রিয়া তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর আইনি কাঠামো। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা আজকের ভোক্তা এবং আগামীর নীতিনির্ধারক হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এ আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। বাজারে ভেজাল পণ্য, প্রতারণা ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের মতো অনিয়ম প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিশেষ অতিথি ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, সচেতন ভোক্তা মানেই দায়িত্বশীল নাগরিক। শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে অবগত হলে পরিবার ও সমাজকেও সচেতন করতে সক্ষম হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহিম হোসেন জানান, আইনে ভেজাল পণ্য বিক্রি, মিথ্যা বিজ্ঞাপন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অভিযোগ জানালে আইন অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং শিক্ষার্থীদের অনিয়ম দেখলে সাহসের সঙ্গে অভিযোগ করার আহ্বান জানান।
সভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আইনের প্রয়োগ, জরিমানার পরিমাণ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন, যার জবাব দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে ভোক্তা-অধিকার সুরক্ষায় ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে পবা উপজেলা ক্যাবের সভাপতি কাজি নাজমুল ইসলাম ও মোহনপুর উপজেলা ক্যাবের সভাপতি রুবেল সরকারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন