নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলে মাছ ধরার সময় এক পুরোনো গ্রেনেড সদৃশ বস্তু উদ্ধার হয়েছে। উপজেলার দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিল থেকে এই বস্তু পান শিখা বেগম নামের এক নারী। তবে বোম্ব ডিসপোজাল টিম না আসায় মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত এটি নিষ্ক্রিয় করা যায়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে শিশুরা দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে মাছ ধরতে যায়। এরপর শিশুকে আনতে শিখা বেগম বিলে যান। বিলে পা দেওয়ার সময় তিনি পায়ের নিচে একটি ভারি বস্তু অনুভব করেন। তিনি সেটি পানির নিচ থেকে তুলে বিলের তীরে নিয়ে আসেন। বস্তুটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার পর প্রথমে ধারণা করা হয়, এটি হয়তো গুপ্তধনের মতো কিছু। পরে বাড়িতে নিয়ে আসার পর এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়।
এরপর স্থানীয়রা সন্দেহজনক মনে করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। মনোহরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে, এটি একটি অতি পুরনো, জংধরা গ্রেনেড সদৃশ বস্তু। পুলিশ থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করে এবং বস্তুটি হেফাজতে নিয়ে পানির নিচে রাখা হয়। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়।
শিখা বেগম জানান, “বাচ্চাদের আনতে বিকেলে বিলে যাই, তখন পায়ে শক্ত কিছু লাগে। প্রথমে ভেবেছিলাম গুপ্তধন, কিন্তু লোহার মতো হওয়ায় বাড়ি নিয়ে আসি। পরে এলাকার কয়েকজন দেখে বলল, এটি গ্রেনেড। পুলিশ খবর পেয়ে এসে এটা নিয়ে গেছে।”
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করেছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়েছে। তবে টিম না আসায় মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত এটি নিষ্ক্রিয় করা যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলে মাছ ধরার সময় এক পুরোনো গ্রেনেড সদৃশ বস্তু উদ্ধার হয়েছে। উপজেলার দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিল থেকে এই বস্তু পান শিখা বেগম নামের এক নারী। তবে বোম্ব ডিসপোজাল টিম না আসায় মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত এটি নিষ্ক্রিয় করা যায়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে শিশুরা দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে মাছ ধরতে যায়। এরপর শিশুকে আনতে শিখা বেগম বিলে যান। বিলে পা দেওয়ার সময় তিনি পায়ের নিচে একটি ভারি বস্তু অনুভব করেন। তিনি সেটি পানির নিচ থেকে তুলে বিলের তীরে নিয়ে আসেন। বস্তুটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার পর প্রথমে ধারণা করা হয়, এটি হয়তো গুপ্তধনের মতো কিছু। পরে বাড়িতে নিয়ে আসার পর এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়।
এরপর স্থানীয়রা সন্দেহজনক মনে করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। মনোহরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে, এটি একটি অতি পুরনো, জংধরা গ্রেনেড সদৃশ বস্তু। পুলিশ থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করে এবং বস্তুটি হেফাজতে নিয়ে পানির নিচে রাখা হয়। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়।
শিখা বেগম জানান, “বাচ্চাদের আনতে বিকেলে বিলে যাই, তখন পায়ে শক্ত কিছু লাগে। প্রথমে ভেবেছিলাম গুপ্তধন, কিন্তু লোহার মতো হওয়ায় বাড়ি নিয়ে আসি। পরে এলাকার কয়েকজন দেখে বলল, এটি গ্রেনেড। পুলিশ খবর পেয়ে এসে এটা নিয়ে গেছে।”
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করেছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়েছে। তবে টিম না আসায় মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত এটি নিষ্ক্রিয় করা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন