ময়মনসিংহ নগরীতে এক কলেজছাত্রের ঘুম ভাঙাতে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসকে ডাকা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রাবাসে, যেখানে ছাত্রের দীর্ঘ ঘুম এবং দরজা না খোলার কারণে সহপাঠীদের উদ্বেগ তৈরি হয়। ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু কলেজছাত্র মো. সোহান মিয়া (১৮), জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. সোহেল মিয়া। বর্তমানে সোহান ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার ছাত্রাবাসে বসবাস করে একটি বেসরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে লেখাপড়া করছেন।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. জুলহাস উদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার দিবাগত রাতে সেহেরি খেয়ে সোহান নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে সহপাঠীরা অনেক ডাকাডাকি করেন এবং পরে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমের দরজা ভেঙে দেখা যায়, ছাত্রটি গভীর ঘুমে ছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (অপারেশন) মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, সারাদিন ঘুমানো এবং দরজা না খোলার কারণে সহপাঠীদের ভয় ও আশঙ্কা থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছিল। পরে দেখা গেছে, কোনো দুর্ঘটনা হয়নি, ছাত্রটি শুধু বিভোর ঘুমে ছিলেন। স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনা হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীতে এক কলেজছাত্রের ঘুম ভাঙাতে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসকে ডাকা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রাবাসে, যেখানে ছাত্রের দীর্ঘ ঘুম এবং দরজা না খোলার কারণে সহপাঠীদের উদ্বেগ তৈরি হয়। ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু কলেজছাত্র মো. সোহান মিয়া (১৮), জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. সোহেল মিয়া। বর্তমানে সোহান ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার ছাত্রাবাসে বসবাস করে একটি বেসরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে লেখাপড়া করছেন।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. জুলহাস উদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার দিবাগত রাতে সেহেরি খেয়ে সোহান নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে সহপাঠীরা অনেক ডাকাডাকি করেন এবং পরে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমের দরজা ভেঙে দেখা যায়, ছাত্রটি গভীর ঘুমে ছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (অপারেশন) মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, সারাদিন ঘুমানো এবং দরজা না খোলার কারণে সহপাঠীদের ভয় ও আশঙ্কা থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছিল। পরে দেখা গেছে, কোনো দুর্ঘটনা হয়নি, ছাত্রটি শুধু বিভোর ঘুমে ছিলেন। স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনা হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন