বাংলাদেশী অভিনেতা জাহের আলভী সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের স্ত্রী ইকরার দাফনে অনুপস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশে ফিরতে না পারার মূল কারণ ছিল নিরাপত্তাজনিত এবং সামাজিক চাপের পরিস্থিতি।
ভিডিও বার্তায় আলভী বলেন, “আপনারা কি আমার দেশে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি করেছেন?” তিনি দাবি করেন, দেশে ফিরলে তাড়াহুড়ো এবং হিংসাত্মক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো। তার ফোনে হুমকির ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং বিমানবন্দরের বাইরে লোকেরা অপেক্ষা করছে। তাই তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে দেশে আসতে পারেননি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, দাফনের সময় তার স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখা হয়নি। ইকরার পরিবারও তাকে সঙ্গে দেখার অনুমতি দেয়নি। নেপাল থেকে দেশে আসার চেষ্টা করেছিলেন, তবে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় এবং ট্রানজিট ফ্লাইটের জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
অভিনেতা আলভী দাম্পত্য জীবনের সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ইকরা অনেক আগেই তালাক চাইত, কিন্তু আমি তা চাইনি।” পাশাপাশি তিনি আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, মানসিকভাবে প্রভাবিত হওয়ার দায় তার নয়।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মিরপুর ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি (DOHS) এলাকায় ইকরার আত্মহত্যা ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক ঝামেলা এবং জাহের আলভীর সঙ্গে সম্পর্ক ইকরার মানসিক অবস্থাকে আরও খারাপ করেছিল। পরবর্তীতে পল্লবী থানায় জাহের আলভী ও তার মায়ের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা এবং নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ইকরার দাফন ময়মনসিংহের ভালুকায় সম্পন্ন হয়।
জাহের আলভী এই পরিস্থিতিতে নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখার জন্য দেশের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশী অভিনেতা জাহের আলভী সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের স্ত্রী ইকরার দাফনে অনুপস্থিতির বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশে ফিরতে না পারার মূল কারণ ছিল নিরাপত্তাজনিত এবং সামাজিক চাপের পরিস্থিতি।
ভিডিও বার্তায় আলভী বলেন, “আপনারা কি আমার দেশে ফেরার মতো পরিবেশ তৈরি করেছেন?” তিনি দাবি করেন, দেশে ফিরলে তাড়াহুড়ো এবং হিংসাত্মক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো। তার ফোনে হুমকির ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং বিমানবন্দরের বাইরে লোকেরা অপেক্ষা করছে। তাই তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে দেশে আসতে পারেননি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, দাফনের সময় তার স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখা হয়নি। ইকরার পরিবারও তাকে সঙ্গে দেখার অনুমতি দেয়নি। নেপাল থেকে দেশে আসার চেষ্টা করেছিলেন, তবে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় এবং ট্রানজিট ফ্লাইটের জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
অভিনেতা আলভী দাম্পত্য জীবনের সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ইকরা অনেক আগেই তালাক চাইত, কিন্তু আমি তা চাইনি।” পাশাপাশি তিনি আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, মানসিকভাবে প্রভাবিত হওয়ার দায় তার নয়।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মিরপুর ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি (DOHS) এলাকায় ইকরার আত্মহত্যা ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক ঝামেলা এবং জাহের আলভীর সঙ্গে সম্পর্ক ইকরার মানসিক অবস্থাকে আরও খারাপ করেছিল। পরবর্তীতে পল্লবী থানায় জাহের আলভী ও তার মায়ের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা এবং নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ইকরার দাফন ময়মনসিংহের ভালুকায় সম্পন্ন হয়।
জাহের আলভী এই পরিস্থিতিতে নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখার জন্য দেশের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন