ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে শুরুতে অনিচ্ছুক থাকা কয়েকটি আরব দেশ এখন সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে Donald Trump বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালানোয় সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকটি আরব দেশ তেহরানের আক্রমণের মুখে পড়ার পর তারা যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা অবাক হয়েছিলাম। তারা আক্রমণাত্মকভাবে লড়াই করছে। তাদের খুব কম হামলা করার কথা ছিল, কিন্তু এখন তারা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।”
সপ্তাহের শুরুতে ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার পর তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইরান তেল আবিবসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপ করে।
পরবর্তী দিনগুলোতে বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ওই ছয়টি আরব দেশের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে অঞ্চলজুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযানকে ‘বেপরোয়া’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে নিন্দা জানানো হয়।
সাত দেশের ওই বিবৃতিতে ইরানের পদক্ষেপকে একাধিক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে জড়িত নয় এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা অস্থিতিশীল ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলে অভিহিত করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে শুরুতে অনিচ্ছুক থাকা কয়েকটি আরব দেশ এখন সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে Donald Trump বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালানোয় সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকটি আরব দেশ তেহরানের আক্রমণের মুখে পড়ার পর তারা যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা অবাক হয়েছিলাম। তারা আক্রমণাত্মকভাবে লড়াই করছে। তাদের খুব কম হামলা করার কথা ছিল, কিন্তু এখন তারা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।”
সপ্তাহের শুরুতে ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার পর তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইরান তেল আবিবসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপ করে।
পরবর্তী দিনগুলোতে বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ওই ছয়টি আরব দেশের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে অঞ্চলজুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযানকে ‘বেপরোয়া’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে নিন্দা জানানো হয়।
সাত দেশের ওই বিবৃতিতে ইরানের পদক্ষেপকে একাধিক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে জড়িত নয় এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা অস্থিতিশীল ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলে অভিহিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন