ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একাধিক প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন; মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হাইকোর্ট সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ময়মনসিংহ-১ আসনের প্রার্থী এবং জামায়াতের নারায়ণগঞ্জ-২, নারায়ণগঞ্জ-৩, লালমনিরহাট-১ ও লালমনিরহাট-২ আসনের প্রার্থীরা পৃথকভাবে রিট আবেদন দায়ের করেছেন। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেন।
রোববার (১ মার্চ) রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্টশিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া এর আগে ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪ আসনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাইকোর্টে আবেদন করে। সংশ্লিষ্ট আবেদনের শুনানি ও পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগোবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক আসনে দায়ের হওয়া এসব মামলার ফলে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এসব আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একাধিক প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন; মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হাইকোর্ট সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ময়মনসিংহ-১ আসনের প্রার্থী এবং জামায়াতের নারায়ণগঞ্জ-২, নারায়ণগঞ্জ-৩, লালমনিরহাট-১ ও লালমনিরহাট-২ আসনের প্রার্থীরা পৃথকভাবে রিট আবেদন দায়ের করেছেন। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে কুড়িগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের এমদাদুল হক ভরসা এবং রাজশাহী-১ আসনের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেন।
রোববার (১ মার্চ) রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্টশিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া এর আগে ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪ আসনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাইকোর্টে আবেদন করে। সংশ্লিষ্ট আবেদনের শুনানি ও পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগোবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক আসনে দায়ের হওয়া এসব মামলার ফলে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এসব আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি।

আপনার মতামত লিখুন