স্মার্টফোনের অ্যাপে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের টানে চীন থেকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ছুটে এসেছেন ইয়ং ডিলি (২৮) নামের এক তরুণ। দীর্ঘ এক বছরের প্রণয় শেষে রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় তরুণী সাহারা আক্তারের (২০) সঙ্গে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে। সোমবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিদেশি জামাইকে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় এখনো কমেনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘উইচ্যাট’ এর মাধ্যমে ইয়ং ডিলি ও সাহারা আক্তারের পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব থাকলেও ধীরে ধীরে তা গভীর প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ সময় ভিডিও কল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই উদ্দেশ্যেই এক মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন এই চীনা নাগরিক।
গত ২ মার্চ ২০২৬, রবিবার বেলা ১১টার দিকে ইয়ং ডিলি সরাসরি রসুলপুর গ্রামে সাহারার বাড়িতে পৌঁছান। বিদেশি নাগরিক আসার খবরে মুহূর্তেই এলাকায় জানাজানি হলে আশপাশের গ্রামের মানুষ তাকে দেখতে ভিড় জমান। এরপর দুই পরিবারের মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে দিনভর আলোচনার পর ওই দিন সন্ধ্যায় কাজী ডেকে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
সাহারা আক্তারের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুরুতে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা নিয়ে তারা কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তবে ইয়ং ডিলির আন্তরিকতা এবং ইসলাম ধর্ম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ দেখে তারা বিয়ের অনুমতি দেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এই বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিয়ের পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথ আইনগত নিয়ম অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। বিদেশি নাগরিককে জামাই হিসেবে পেয়ে কনের পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বেশ আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।
বর্তমানে ইয়ং ডিলি তার শ্বশুরবাড়িতেই অবস্থান করছেন। ভিসা সংক্রান্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে নবদম্পতি তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করবেন বলে জানা গেছে। দুই ভিন্ন দেশের ও ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের এই মিলন এখন পুরো সিরাজদিখান উপজেলার প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
স্মার্টফোনের অ্যাপে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের টানে চীন থেকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ছুটে এসেছেন ইয়ং ডিলি (২৮) নামের এক তরুণ। দীর্ঘ এক বছরের প্রণয় শেষে রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় তরুণী সাহারা আক্তারের (২০) সঙ্গে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে। সোমবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিদেশি জামাইকে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় এখনো কমেনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘উইচ্যাট’ এর মাধ্যমে ইয়ং ডিলি ও সাহারা আক্তারের পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব থাকলেও ধীরে ধীরে তা গভীর প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ সময় ভিডিও কল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই উদ্দেশ্যেই এক মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন এই চীনা নাগরিক।
গত ২ মার্চ ২০২৬, রবিবার বেলা ১১টার দিকে ইয়ং ডিলি সরাসরি রসুলপুর গ্রামে সাহারার বাড়িতে পৌঁছান। বিদেশি নাগরিক আসার খবরে মুহূর্তেই এলাকায় জানাজানি হলে আশপাশের গ্রামের মানুষ তাকে দেখতে ভিড় জমান। এরপর দুই পরিবারের মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে দিনভর আলোচনার পর ওই দিন সন্ধ্যায় কাজী ডেকে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
সাহারা আক্তারের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুরুতে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা নিয়ে তারা কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তবে ইয়ং ডিলির আন্তরিকতা এবং ইসলাম ধর্ম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ দেখে তারা বিয়ের অনুমতি দেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এই বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিয়ের পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথ আইনগত নিয়ম অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। বিদেশি নাগরিককে জামাই হিসেবে পেয়ে কনের পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বেশ আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।
বর্তমানে ইয়ং ডিলি তার শ্বশুরবাড়িতেই অবস্থান করছেন। ভিসা সংক্রান্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে নবদম্পতি তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করবেন বলে জানা গেছে। দুই ভিন্ন দেশের ও ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের এই মিলন এখন পুরো সিরাজদিখান উপজেলার প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন