নিজের নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ওই এলাকার নাগরিকরা চাঁদাবাজি বা অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি ০১৫৫২-১৬১৬১৬ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "আমার নির্বাচনী এলাকাকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কাজ মেনে নেওয়া হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যাগুলো তদারকি করতে চাই।"
প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে কমে আসবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
নিজের নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের সুবিধার্থে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ওই এলাকার নাগরিকরা চাঁদাবাজি বা অনিয়মের শিকার হলে সরাসরি ০১৫৫২-১৬১৬১৬ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "আমার নির্বাচনী এলাকাকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কাজ মেনে নেওয়া হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যাগুলো তদারকি করতে চাই।"
প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন