ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হিজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল নাইম কাসেমকে 'হত্যার জন্য চিহ্নিত' ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানোর জন্য দলটিকে চরম মূল্য দিতে হবে। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাটজ বলেন, যারা খামেনির পথ অনুসরণ করবে তাদেরও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
সোমবার সকালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন ও বেইরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালায়। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে ৩১ জন নিহত ও ১৪৯ জন আহত হয়েছেন। এর পাল্টা জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। সংগঠনটি এই হামলাকে ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই উত্তেজনার সূত্রপাত শনিবার থেকে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে একের পর এক হামলা চালায়। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা নিহত হন। প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা আঘাত হানে।
ইসরায়েল ও ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে অভিযোগ করছে। তবে তেহরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি তাদের লক্ষ্য নয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হিজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল নাইম কাসেমকে 'হত্যার জন্য চিহ্নিত' ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানোর জন্য দলটিকে চরম মূল্য দিতে হবে। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাটজ বলেন, যারা খামেনির পথ অনুসরণ করবে তাদেরও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
সোমবার সকালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন ও বেইরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালায়। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে ৩১ জন নিহত ও ১৪৯ জন আহত হয়েছেন। এর পাল্টা জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। সংগঠনটি এই হামলাকে ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই উত্তেজনার সূত্রপাত শনিবার থেকে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে একের পর এক হামলা চালায়। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা নিহত হন। প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা আঘাত হানে।
ইসরায়েল ও ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে অভিযোগ করছে। তবে তেহরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি তাদের লক্ষ্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন