ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। হামলার ফলে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত রাস তানুরা রিফাইনারির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। হামলার সময় স্থাপনায় আগুন লেগে গেলেও তা সীমিত ছিল এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রাস তানুরা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। আরামকো পরিচালিত এই রিফাইনারিতে প্রতিদিন ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করা হয়। পাশের রপ্তানি টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়। এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানিতে এই স্থাপনার ভূমিকা অপরিসীম।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাস তানুরায় এই হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের হুমকির পাশাপাশি এই হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে আরও গভীর করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরামকোর এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। হামলার ফলে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত রাস তানুরা রিফাইনারির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। হামলার সময় স্থাপনায় আগুন লেগে গেলেও তা সীমিত ছিল এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রাস তানুরা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। আরামকো পরিচালিত এই রিফাইনারিতে প্রতিদিন ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করা হয়। পাশের রপ্তানি টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়। এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানিতে এই স্থাপনার ভূমিকা অপরিসীম।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাস তানুরায় এই হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের হুমকির পাশাপাশি এই হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে আরও গভীর করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরামকোর এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন