দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সাইপ্রিয়ট প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডোলিডেস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রবিবার দিবাগত রাতে শাহেদ ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এতে সামান্য পরিমাণে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ক্রিস্টোডোলিডেস স্পষ্ট করে বলেন, সাইপ্রাস কোনোভাবেই কোনো সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করে না এবং অংশ নিতেও চায় না। এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি ইউরোপীয় এবং অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান।
এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জানান, যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় সহায়তা চেয়েছে এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান ইতোমধ্যে ইরানের হামলা সফলভাবে প্রতিহত করছে। তিনি আরও বলেন, হুমকি বন্ধের একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের সংরক্ষণাগারে বা লঞ্চারেই ধ্বংস করা।
স্টারমারের এই ঘোষণার পরপরই সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থে একের পর এক হামলা পরিচালনা করছে ইরানি বাহিনী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সাইপ্রিয়ট প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডোলিডেস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রবিবার দিবাগত রাতে শাহেদ ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এতে সামান্য পরিমাণে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ক্রিস্টোডোলিডেস স্পষ্ট করে বলেন, সাইপ্রাস কোনোভাবেই কোনো সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করে না এবং অংশ নিতেও চায় না। এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি ইউরোপীয় এবং অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান।
এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জানান, যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় সহায়তা চেয়েছে এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান ইতোমধ্যে ইরানের হামলা সফলভাবে প্রতিহত করছে। তিনি আরও বলেন, হুমকি বন্ধের একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের সংরক্ষণাগারে বা লঞ্চারেই ধ্বংস করা।
স্টারমারের এই ঘোষণার পরপরই সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থে একের পর এক হামলা পরিচালনা করছে ইরানি বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন