যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
চিঠিতে খামেনির হত্যাকাণ্ডকে একটি 'কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কাজ' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই ঘটনা একটি 'বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন উত্তেজনা' তৈরি করেছে, যা রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক আদর্শ এবং জাতিগুলোর মধ্যে সভ্য আচরণের পরিপন্থি।
ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে যথাযথ বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, এই ধরনের কর্মকাণ্ড পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
চিঠিতে আরাগচি আরও বলেন, এ ধরনের আচরণ কেবল আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিষ্ঠিত নীতিমালার লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি একটি বিপজ্জনক 'প্যান্ডোরার বক্স' খুলে দেওয়ার শামিল। এটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সমতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার মূলে আঘাত হেনেছে।
তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সনদে দেওয়া নিজ নিজ দায়িত্ব যেন তারা যথাযথভাবে পালন করেন। তিনি বলেন, এই নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারকে পুরোপুরি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে অবিলম্বে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
চিঠিতে খামেনির হত্যাকাণ্ডকে একটি 'কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কাজ' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই ঘটনা একটি 'বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন উত্তেজনা' তৈরি করেছে, যা রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক আদর্শ এবং জাতিগুলোর মধ্যে সভ্য আচরণের পরিপন্থি।
ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে যথাযথ বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। তেহরানের দাবি, এই ধরনের কর্মকাণ্ড পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
চিঠিতে আরাগচি আরও বলেন, এ ধরনের আচরণ কেবল আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিষ্ঠিত নীতিমালার লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি একটি বিপজ্জনক 'প্যান্ডোরার বক্স' খুলে দেওয়ার শামিল। এটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সমতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার মূলে আঘাত হেনেছে।
তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সনদে দেওয়া নিজ নিজ দায়িত্ব যেন তারা যথাযথভাবে পালন করেন। তিনি বলেন, এই নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারকে পুরোপুরি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে অবিলম্বে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন