যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয় — ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এমনটাই মনে করছেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বর্তমান কৌশল হচ্ছে যতক্ষণ না ইরান নতি স্বীকার করছে, ততক্ষণ দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে একের পর এক হত্যা করে যাওয়া। তবে এই কৌশলকে তিনি সরাসরি একটি মারাত্মক ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
পারসি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করে চাপ সৃষ্টি করলেই ইরানিরা আত্মসমর্পণে বাধ্য হবে। কিন্তু এই বিশেষ ধর্মতাত্ত্বিক শাসনব্যবস্থা যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়। তার ভাষায়, ইরান সরকার বিশ্বাস করে যুদ্ধ থেকে টিকে ফিরে আসা সম্ভব, কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে তাদের শাসনব্যবস্থার অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে।
এই বিশ্লেষক সতর্ক করে বলেন, নতি স্বীকার করতে রাজি এমন কোনো নেতৃত্ব পেতে হলে শুধু শীর্ষ স্তর সরালেই হবে না — পুরো দেশটিকেই ধ্বংস করতে হবে। আর ট্রাম্প প্রশাসন এখনো জানে না এটি করতে কত সময় লাগবে, এমনকি তা আদৌ সম্ভব কিনা।
পারসির মতে, এই পরিস্থিতিতে ইরানের কৌশল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সৈন্য, বিশ্ব অর্থনীতি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া, যাতে ট্রাম্পের জন্য অভিযান চালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক ভিডিও বার্তায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে পূর্ণ দায়মুক্তির প্রস্তাব দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্যথায় তাদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা আইআরজিসির সদর দপ্তর ধ্বংস করেছে।
খামেনির মৃত্যুর পরেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখায় মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতি গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছে। আন্তর্জাতিক শিপিং, বিমান চলাচল ও তেলের বাজারে এর প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধ চলুক, কিন্তু আত্মসমর্পণ নয় — ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এমনটাই মনে করছেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বর্তমান কৌশল হচ্ছে যতক্ষণ না ইরান নতি স্বীকার করছে, ততক্ষণ দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে একের পর এক হত্যা করে যাওয়া। তবে এই কৌশলকে তিনি সরাসরি একটি মারাত্মক ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
পারসি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করে চাপ সৃষ্টি করলেই ইরানিরা আত্মসমর্পণে বাধ্য হবে। কিন্তু এই বিশেষ ধর্মতাত্ত্বিক শাসনব্যবস্থা যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়। তার ভাষায়, ইরান সরকার বিশ্বাস করে যুদ্ধ থেকে টিকে ফিরে আসা সম্ভব, কিন্তু আত্মসমর্পণ করলে তাদের শাসনব্যবস্থার অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে।
এই বিশ্লেষক সতর্ক করে বলেন, নতি স্বীকার করতে রাজি এমন কোনো নেতৃত্ব পেতে হলে শুধু শীর্ষ স্তর সরালেই হবে না — পুরো দেশটিকেই ধ্বংস করতে হবে। আর ট্রাম্প প্রশাসন এখনো জানে না এটি করতে কত সময় লাগবে, এমনকি তা আদৌ সম্ভব কিনা।
পারসির মতে, এই পরিস্থিতিতে ইরানের কৌশল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সৈন্য, বিশ্ব অর্থনীতি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া, যাতে ট্রাম্পের জন্য অভিযান চালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক ভিডিও বার্তায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান জানিয়ে পূর্ণ দায়মুক্তির প্রস্তাব দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্যথায় তাদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা আইআরজিসির সদর দপ্তর ধ্বংস করেছে।
খামেনির মৃত্যুর পরেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখায় মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতি গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছে। আন্তর্জাতিক শিপিং, বিমান চলাচল ও তেলের বাজারে এর প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন