সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে ধেয়ে আসা এই ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মাঝ আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে সৌদি আরব।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মার্কিন সেনাদের অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান এই হামলা চালায়। সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সক্রিয় হয়ে ওঠার ফলে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে।
রিয়াদের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছেন, যা এই হামলার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপসাগরীয় একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানায়, রবিবার বিকেলের দিকে রিয়াদ বিমানবন্দর এবং পার্শ্ববর্তী বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধেয়ে আসে। তবে সৌদি আরবের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
ওই সূত্রটি আরও জানায়, এই হামলার কারণে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। এছাড়া এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি কিংবা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরের কাছে থাকা একজন প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানিয়েছেন, তিনি আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার রোমহর্ষক দৃশ্য দেখেছেন এবং সেই সময় কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এর আগে রিয়াদের পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী বাসিন্দারাও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছিলেন, যা মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কর্তৃক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার শব্দ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, সৌদি আরবের ওপর এই হামলা সেই আগুনি পরিস্থিতিকে আরও উসকে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে ধেয়ে আসা এই ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মাঝ আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে সৌদি আরব।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মার্কিন সেনাদের অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান এই হামলা চালায়। সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সক্রিয় হয়ে ওঠার ফলে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে।
রিয়াদের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছেন, যা এই হামলার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপসাগরীয় একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানায়, রবিবার বিকেলের দিকে রিয়াদ বিমানবন্দর এবং পার্শ্ববর্তী বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধেয়ে আসে। তবে সৌদি আরবের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
ওই সূত্রটি আরও জানায়, এই হামলার কারণে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। এছাড়া এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি কিংবা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরের কাছে থাকা একজন প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানিয়েছেন, তিনি আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার রোমহর্ষক দৃশ্য দেখেছেন এবং সেই সময় কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এর আগে রিয়াদের পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী বাসিন্দারাও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছিলেন, যা মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কর্তৃক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার শব্দ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, সৌদি আরবের ওপর এই হামলা সেই আগুনি পরিস্থিতিকে আরও উসকে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন