যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শোক প্রকাশের পাশাপাশি খামেনির মৃত্যুর প্রতিটি ফোঁটা রক্তে চরম প্রতিশোধ নেওয়ার কঠোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে এই বিশেষ বাহিনীটি। আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের সমুচিত জবাব দিতে তারা যুদ্ধের ময়দানে নামছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে খামেনির শাহাদাতের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, ‘আমরা আমাদের একজন মহান ও দিকপাল নেতাকে হারিয়েছি এবং তার জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মানবতার সবচেয়ে জঘন্য সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে খামেনির শাহাদাত বরণ মূলত এই মহান নেতার ন্যায়নিষ্ঠ সংগ্রাম এবং ইসলামের প্রতি তার একনিষ্ঠ সেবারই একটি চূড়ান্ত স্বীকৃতি।’
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে আরও জানিয়েছে, ‘ইরানি জাতির প্রতিশোধের হাত থেকে ঘাতকরা রেহাই পাবে না।’ দেশীয় ও বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় তারা আগের চেয়েও দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার শপথ নিয়েছে। বিশেষ করে এই শোকের মুহূর্তে তারা নিজেদের মনোবল হারাবে না বরং শত্রুকে পিষ্ট করতে আরও শক্তিশালী হয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বলে জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, বিবৃতিতে আইআরজিসি ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই বিশাল অভিযানটি ‘মাত্র কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই’ শুরু হতে যাচ্ছে। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে যে, তাদের মূল লক্ষ্যবস্তু হবে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত ‘দখলকৃত এলাকা’ এবং এই অঞ্চলে অবস্থানরত ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো’। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। খামেনির প্রয়াণে ইরানে বর্তমানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ রবিবার ভোরের দিকে খামেনি নিজের দপ্তরে ‘নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে’ নিহত হন। তার এই প্রয়াণ ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে এক বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করলেও আইআরজিসি-র এই যুদ্ধংদেহী অবস্থান পুরো পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শোক প্রকাশের পাশাপাশি খামেনির মৃত্যুর প্রতিটি ফোঁটা রক্তে চরম প্রতিশোধ নেওয়ার কঠোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে এই বিশেষ বাহিনীটি। আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের সমুচিত জবাব দিতে তারা যুদ্ধের ময়দানে নামছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে খামেনির শাহাদাতের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, ‘আমরা আমাদের একজন মহান ও দিকপাল নেতাকে হারিয়েছি এবং তার জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মানবতার সবচেয়ে জঘন্য সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে খামেনির শাহাদাত বরণ মূলত এই মহান নেতার ন্যায়নিষ্ঠ সংগ্রাম এবং ইসলামের প্রতি তার একনিষ্ঠ সেবারই একটি চূড়ান্ত স্বীকৃতি।’
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে আরও জানিয়েছে, ‘ইরানি জাতির প্রতিশোধের হাত থেকে ঘাতকরা রেহাই পাবে না।’ দেশীয় ও বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় তারা আগের চেয়েও দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার শপথ নিয়েছে। বিশেষ করে এই শোকের মুহূর্তে তারা নিজেদের মনোবল হারাবে না বরং শত্রুকে পিষ্ট করতে আরও শক্তিশালী হয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বলে জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, বিবৃতিতে আইআরজিসি ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই বিশাল অভিযানটি ‘মাত্র কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই’ শুরু হতে যাচ্ছে। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে যে, তাদের মূল লক্ষ্যবস্তু হবে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত ‘দখলকৃত এলাকা’ এবং এই অঞ্চলে অবস্থানরত ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো’। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। খামেনির প্রয়াণে ইরানে বর্তমানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ রবিবার ভোরের দিকে খামেনি নিজের দপ্তরে ‘নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনকালে’ নিহত হন। তার এই প্রয়াণ ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে এক বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করলেও আইআরজিসি-র এই যুদ্ধংদেহী অবস্থান পুরো পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন