ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহর। এই ভয়াবহ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন নয়জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানোর পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নতুন আরও একটি মরদেহ উদ্ধারের পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদক এমানুয়েল ফ্যাবিয়ান ও লাজার বারম্যানের পাঠানো বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রটি শহরের একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় সরাসরি আঘাত হানে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, ওই এলাকার একটি সিনাগগ বা ইহুদি উপাসনালয় মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পার্শ্ববর্তী একটি পাবলিক বোম্ব শেল্টার এবং বেশ কিছু বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বেইত শেমেশের মেয়র শমুয়েল গ্রিনবার্গ এক উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার পর থেকে ওই এলাকার অন্তত ২০ জন বাসিন্দার সঙ্গে এখনও কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি কিছুটা আশ্বস্ত করে বলেন যে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই তারা বড় কোনো বিপদে পড়েছেন—এমনটি এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নিখোঁজদের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করতে এবং তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ওই ধ্বংসস্তূপ এলাকায় জরুরি সেবা সংস্থা ও উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা অবস্থান করছেন। তারা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছেন। পুরো শহরজুড়ে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের এই আকস্মিক ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও এক ধাপ উসকে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহর। এই ভয়াবহ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন নয়জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানোর পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নতুন আরও একটি মরদেহ উদ্ধারের পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদক এমানুয়েল ফ্যাবিয়ান ও লাজার বারম্যানের পাঠানো বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রটি শহরের একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় সরাসরি আঘাত হানে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, ওই এলাকার একটি সিনাগগ বা ইহুদি উপাসনালয় মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পার্শ্ববর্তী একটি পাবলিক বোম্ব শেল্টার এবং বেশ কিছু বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বেইত শেমেশের মেয়র শমুয়েল গ্রিনবার্গ এক উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার পর থেকে ওই এলাকার অন্তত ২০ জন বাসিন্দার সঙ্গে এখনও কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি কিছুটা আশ্বস্ত করে বলেন যে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই তারা বড় কোনো বিপদে পড়েছেন—এমনটি এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নিখোঁজদের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করতে এবং তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ওই ধ্বংসস্তূপ এলাকায় জরুরি সেবা সংস্থা ও উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা অবস্থান করছেন। তারা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছেন। পুরো শহরজুড়ে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের এই আকস্মিক ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও এক ধাপ উসকে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন