ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ আক্রমণকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এই হামলাকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
রবিবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি কড়া বিবৃতি জারি করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) বরাতে জানা গেছে, ইরানের ওপর পরিচালিত এই সামরিক পদক্ষেপকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না উত্তর কোরিয়া। তাদের মতে, এটি কেবল একটি হামলা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত অবৈধ আগ্রাসন।
বিবৃতিতে পিয়ংইয়ং আরও উল্লেখ করেছে যে, ইরানের ওপর এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িত থাকাটা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। উত্তর কোরিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘আধিপত্যবাদী’ এবং ‘মাফিয়া সুলভ’ মনোভাবের কারণেই তারা এ ধরনের আচরণ করছে এবং এটি তাদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। ওয়াশিংটনের এই গ্যাংস্টার বা মাফিয়া কায়দায় অন্য রাষ্ট্রের ওপর হস্তক্ষেপ করার প্রবণতা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ বলেও বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের এই ধরনের উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী আচরণ এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব কোনো পরিস্থিতিতেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। উত্তর কোরিয়া এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ আক্রমণকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এই হামলাকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
রবিবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি কড়া বিবৃতি জারি করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) বরাতে জানা গেছে, ইরানের ওপর পরিচালিত এই সামরিক পদক্ষেপকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না উত্তর কোরিয়া। তাদের মতে, এটি কেবল একটি হামলা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত অবৈধ আগ্রাসন।
বিবৃতিতে পিয়ংইয়ং আরও উল্লেখ করেছে যে, ইরানের ওপর এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িত থাকাটা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। উত্তর কোরিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘আধিপত্যবাদী’ এবং ‘মাফিয়া সুলভ’ মনোভাবের কারণেই তারা এ ধরনের আচরণ করছে এবং এটি তাদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। ওয়াশিংটনের এই গ্যাংস্টার বা মাফিয়া কায়দায় অন্য রাষ্ট্রের ওপর হস্তক্ষেপ করার প্রবণতা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ বলেও বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের এই ধরনের উস্কানিমূলক ও আগ্রাসী আচরণ এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব কোনো পরিস্থিতিতেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। উত্তর কোরিয়া এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

আপনার মতামত লিখুন