ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের খবরে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল উত্তাল হয়ে উঠেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় খামেনির নিহত হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরপরই শ্রীনগরের ঐতিহাসিক লালচকসহ উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে এসময় আমেরিকা ও ইসরায়েল বিরোধী তীব্র স্লোগান শোনা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রীনগর ও বুদগামের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল শ্রীনগরের লালচক, যেখানে বিশাল জনতা খামেনির ছবি হাতে নিয়ে শোক মিছিলে অংশ নেয়। বিশেষ করে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের বুক ফাটানো কান্না ও আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শ্রীনগরের সাইদা কাদাল ও বুদগামের মতো শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আজ স্বতঃস্ফূর্ত বনধ পালিত হচ্ছে। এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের বিশিষ্ট আলেম মীরওয়াইজ উমর ফারুক এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং শোক পালনের ডাক দিয়েছেন।
কাশ্মীরের পাশাপাশি বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছেছে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতেও। সেখানেও শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন দলে দলে রাস্তায় নেমে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সমর্থনে এবং হামলাকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লখনউয়ের ইমামবাড়া সংলগ্ন এলাকায় শোকাতুর নারীদের বিলাপ করতে দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি এখনো থমথমে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত বাহিনী নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের খবরে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল উত্তাল হয়ে উঠেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় খামেনির নিহত হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরপরই শ্রীনগরের ঐতিহাসিক লালচকসহ উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে এসময় আমেরিকা ও ইসরায়েল বিরোধী তীব্র স্লোগান শোনা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রীনগর ও বুদগামের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল শ্রীনগরের লালচক, যেখানে বিশাল জনতা খামেনির ছবি হাতে নিয়ে শোক মিছিলে অংশ নেয়। বিশেষ করে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের বুক ফাটানো কান্না ও আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শ্রীনগরের সাইদা কাদাল ও বুদগামের মতো শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আজ স্বতঃস্ফূর্ত বনধ পালিত হচ্ছে। এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের বিশিষ্ট আলেম মীরওয়াইজ উমর ফারুক এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং শোক পালনের ডাক দিয়েছেন।
কাশ্মীরের পাশাপাশি বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছেছে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতেও। সেখানেও শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন দলে দলে রাস্তায় নেমে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সমর্থনে এবং হামলাকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লখনউয়ের ইমামবাড়া সংলগ্ন এলাকায় শোকাতুর নারীদের বিলাপ করতে দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি এখনো থমথমে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত বাহিনী নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন