ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের প্রতিবাদে পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে ভয়াবহ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তেজিত ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে চড়াও হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে গুলিতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, করাচির সিভিল হাসপাতালের (সিএইচকে) ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ সাবির মেমন জানিয়েছেন, মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ এবং ৩১ জন আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। হতাহতদের প্রত্যেকের শরীরে বন্দুকের গুলির আঘাত ও ক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনের তথ্যমতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন দূতাবাসের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালায়। একই সময়ে পাকিস্তানি পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক হারে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এএফপির একজন প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, উত্তেজিত একদল তরুণ কনস্যুলেট ভবনের মূল গেট বেয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং প্রবেশপথে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ভবনের বেশ কিছু জানালার কাঁচও ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের ব্যাপক কাঁদানে গ্যাসের মুখে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, একদল বিক্ষোভকারী ক্ষুব্ধ অবস্থায় কনস্যুলেট ভবনের জানালায় আঘাত করছে এবং ভাঙচুর চালাচ্ছে। করাচির পাশাপাশি পাকিস্তানের লাহোর ও স্কের্দুসহ অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতেও হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে। দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কূটনৈতিক জোনের কাছেও বিকেলে একটি বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, গতকাল শনিবার ভোরে নিজের দফতরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ তিনি নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই পুরো মুসলিম বিশ্বে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব এখন পাকিস্তানের রাজপথে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের প্রতিবাদে পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে ভয়াবহ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তেজিত ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে চড়াও হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে গুলিতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, করাচির সিভিল হাসপাতালের (সিএইচকে) ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ সাবির মেমন জানিয়েছেন, মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ এবং ৩১ জন আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। হতাহতদের প্রত্যেকের শরীরে বন্দুকের গুলির আঘাত ও ক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনের তথ্যমতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন দূতাবাসের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালায়। একই সময়ে পাকিস্তানি পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক হারে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এএফপির একজন প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, উত্তেজিত একদল তরুণ কনস্যুলেট ভবনের মূল গেট বেয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং প্রবেশপথে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ভবনের বেশ কিছু জানালার কাঁচও ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের ব্যাপক কাঁদানে গ্যাসের মুখে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, একদল বিক্ষোভকারী ক্ষুব্ধ অবস্থায় কনস্যুলেট ভবনের জানালায় আঘাত করছে এবং ভাঙচুর চালাচ্ছে। করাচির পাশাপাশি পাকিস্তানের লাহোর ও স্কের্দুসহ অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতেও হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে। দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কূটনৈতিক জোনের কাছেও বিকেলে একটি বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, গতকাল শনিবার ভোরে নিজের দফতরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ তিনি নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই পুরো মুসলিম বিশ্বে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব এখন পাকিস্তানের রাজপথে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন