ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

হামলার পরিকল্পনা ও কার্যক্রম বিশ্লেষণ

যেভাবে হত্যা করা হয় খামেনিকে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬

যেভাবে হত্যা করা হয় খামেনিকে
চিত্র : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে শনিবার ভোরের দিকে তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করেছে। হামলা চালানো হয় মার্কিন সিআইএ এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের কাছ থেকে আসা চূড়ান্ত তথ্যের ভিত্তিতে। খামেনি তখন একটি উচ্চস্তরের, অত্যন্ত গোপন বৈঠকে ছিলেন।

সূত্র বলেছে, সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনিকে নজরদারিতে রেখেছিল এবং তার অবস্থানের সুনির্দিষ্ট তথ্য নিয়মিত ইসরায়েলের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত হামলার পরিবর্তে, শনিবার সকালে খামেনির বৈঠক শুরুর খবর পেয়ে অভিযানের সময়সূচি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়।

হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে খামেনিকে লক্ষ্য করে বিমান ও নৌ হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সময় ভোর ৬টায় শুরু হওয়া অভিযানে ইসরায়েলের এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান তেহরানে পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় নেয়। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে খামেনির নিরাপত্তাবেষ্টিত ভবনে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে ভবন ধ্বংস করা হয়।

এই হামলায় খামেনির সঙ্গে আছেন উপদেষ্টা আলী শামখানি, আইআরজিসির কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা নিহত হন। এছাড়া বিপ্লবী গার্ডের অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার সৈয়দ মজিদ মুসাভি, গোয়েন্দা উপমন্ত্রী মোহাম্মদ শিরাজি এবং প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা প্রাণ হারান। খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও হামলায় নিহত হন, যার মধ্যে তার মেয়ে, জামাতা, নাতি এবং এক পুত্রবধূ রয়েছে।

ইরান এই ঘটনায় ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সংবিধান অনুযায়ী খামেনির স্থলাভিষিক্ত নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীনভাবে প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের কাউন্সিল দেশ চালাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, এই অভিযান ইরানের জন্য বড় ধাক্কা এবং এর ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ সহজ হয়েছে। সিআইএ’র তথ্যানুযায়ী, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আইআরজিসির কট্টরপন্থীরা ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যেভাবে হত্যা করা হয় খামেনিকে

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে শনিবার ভোরের দিকে তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করেছে। হামলা চালানো হয় মার্কিন সিআইএ এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের কাছ থেকে আসা চূড়ান্ত তথ্যের ভিত্তিতে। খামেনি তখন একটি উচ্চস্তরের, অত্যন্ত গোপন বৈঠকে ছিলেন।


সূত্র বলেছে, সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনিকে নজরদারিতে রেখেছিল এবং তার অবস্থানের সুনির্দিষ্ট তথ্য নিয়মিত ইসরায়েলের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত হামলার পরিবর্তে, শনিবার সকালে খামেনির বৈঠক শুরুর খবর পেয়ে অভিযানের সময়সূচি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়।


হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে খামেনিকে লক্ষ্য করে বিমান ও নৌ হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সময় ভোর ৬টায় শুরু হওয়া অভিযানে ইসরায়েলের এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান তেহরানে পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় নেয়। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে খামেনির নিরাপত্তাবেষ্টিত ভবনে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে ভবন ধ্বংস করা হয়।


এই হামলায় খামেনির সঙ্গে আছেন উপদেষ্টা আলী শামখানি, আইআরজিসির কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা নিহত হন। এছাড়া বিপ্লবী গার্ডের অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার সৈয়দ মজিদ মুসাভি, গোয়েন্দা উপমন্ত্রী মোহাম্মদ শিরাজি এবং প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা প্রাণ হারান। খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যও হামলায় নিহত হন, যার মধ্যে তার মেয়ে, জামাতা, নাতি এবং এক পুত্রবধূ রয়েছে।


ইরান এই ঘটনায় ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সংবিধান অনুযায়ী খামেনির স্থলাভিষিক্ত নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীনভাবে প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের কাউন্সিল দেশ চালাবে।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, এই অভিযান ইরানের জন্য বড় ধাক্কা এবং এর ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ সহজ হয়েছে। সিআইএ’র তথ্যানুযায়ী, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আইআরজিসির কট্টরপন্থীরা ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ