মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে তারা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলা ও বোমাবর্ষণের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবেই তেহরানের পক্ষ থেকে এটি ষষ্ঠ দফার অভিযান।
এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরের একটি বড় প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে—ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা শত্রুপক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের মুখে ফেলবে।
এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হওয়ার পর রাজধানী তেহরানে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেক মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন; নারীদের খামেনির ছবি হাতে কান্না করতে দেখা যায়।
ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রোববার (১ মার্চ) সকালে জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল গঠন করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে এই কাউন্সিল দেশ পরিচালনা করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে তারা।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলা ও বোমাবর্ষণের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবেই তেহরানের পক্ষ থেকে এটি ষষ্ঠ দফার অভিযান।
এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরের একটি বড় প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে—ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা শত্রুপক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের মুখে ফেলবে।
এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হওয়ার পর রাজধানী তেহরানে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেক মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন; নারীদের খামেনির ছবি হাতে কান্না করতে দেখা যায়।
ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রোববার (১ মার্চ) সকালে জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল গঠন করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে এই কাউন্সিল দেশ পরিচালনা করবে।

আপনার মতামত লিখুন