ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওই অঞ্চলগামী মোট ৫৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে এক জরুরি বার্তায় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শনিবার বিকেল থেকে আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যগামী এসব ফ্লাইটের উড্ডয়ন স্থগিত করা হয়। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, যাদের বড় একটি অংশই প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা। এর মধ্যে গতকাল বিকেলেই বাতিল হয়েছে ২৭টি ফ্লাইট।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়া যাত্রীদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অনেক যাত্রীকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অস্থায়ী আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকার বাইরে থেকে আসা অনেক যাত্রী ফ্লাইটের অনিশ্চয়তা দেখে নিজ নিজ গ্রামে বা বাড়িতে ফিরে গেছেন।
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আকাশসীমা উন্মুক্ত হওয়া এবং ফ্লাইট শিডিউল স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে যাত্রীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরবর্তী সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাজার হাজার যাত্রীর উপস্থিতিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে এক নজিরবিহীন জটলার সৃষ্টি হয়। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুনরায় সচল না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সব কানেক্টিং ফ্লাইট এবং সরাসরি যাতায়াতকারী বিমানগুলোর ক্ষেত্রে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওই অঞ্চলগামী মোট ৫৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে এক জরুরি বার্তায় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শনিবার বিকেল থেকে আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যগামী এসব ফ্লাইটের উড্ডয়ন স্থগিত করা হয়। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, যাদের বড় একটি অংশই প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা। এর মধ্যে গতকাল বিকেলেই বাতিল হয়েছে ২৭টি ফ্লাইট।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়া যাত্রীদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অনেক যাত্রীকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অস্থায়ী আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকার বাইরে থেকে আসা অনেক যাত্রী ফ্লাইটের অনিশ্চয়তা দেখে নিজ নিজ গ্রামে বা বাড়িতে ফিরে গেছেন।
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আকাশসীমা উন্মুক্ত হওয়া এবং ফ্লাইট শিডিউল স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে যাত্রীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরবর্তী সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাজার হাজার যাত্রীর উপস্থিতিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে এক নজিরবিহীন জটলার সৃষ্টি হয়। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুনরায় সচল না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সব কানেক্টিং ফ্লাইট এবং সরাসরি যাতায়াতকারী বিমানগুলোর ক্ষেত্রে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন