যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাত বরণের পর ইরানে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, নবগঠিত এই পরিষদের অন্যতম সদস্য ও বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি-ইজেই দেশবাসীর উদ্দেশে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক বার্তা প্রদান করেছেন।
প্রথম বার্তায় মোহসেনি-ইজেই পশ্চিমা শক্তিগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও তার দোসররা মনে করেছে হামলার মাধ্যমে তারা আমাদের পথ রুদ্ধ করবে। কিন্তু তারা জানে না যে, মুসলিম জাতির কোলে বড় হওয়া মহান মুজাহিদিনদের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিকে এ ধরনের কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের মাধ্যমে কখনোই ব্যাহত করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, শাহাদাতের রক্ত বৃথা যাবে না এবং ইরান তার নীতি থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবে না।
ইরানের সংবিধানের ১১১ ধারা অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজগুলো সাময়িকভাবে তদারকি করে এই অন্তর্বর্তী পরিষদ। এই পরিষদে বিচার বিভাগের প্রধান ছাড়াও রয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরিস্ট বা ফকিহ। আইন অনুযায়ী, অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস স্থায়ী উত্তরসূরি নির্বাচন না করা পর্যন্ত তাঁরাই যৌথভাবে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবারের ভয়াবহ হামলার পর থেকে ইরানের সংসদ স্পিকার, নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিচার বিভাগের প্রধানদের প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ায় জনমনে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। গুঞ্জন ছিল যে তাঁরাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন। তবে মোহসেনি-ইজেইর এই বার্তার পর প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে এই ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্তরে সামরিক উত্তেজনা মোকাবিলা করাই এখন এই পরিষদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এদিকে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোতে আজ সকাল থেকেই শোকের মাতম চলছে এবং সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাত বরণের পর ইরানে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, নবগঠিত এই পরিষদের অন্যতম সদস্য ও বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি-ইজেই দেশবাসীর উদ্দেশে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক বার্তা প্রদান করেছেন।
প্রথম বার্তায় মোহসেনি-ইজেই পশ্চিমা শক্তিগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও তার দোসররা মনে করেছে হামলার মাধ্যমে তারা আমাদের পথ রুদ্ধ করবে। কিন্তু তারা জানে না যে, মুসলিম জাতির কোলে বড় হওয়া মহান মুজাহিদিনদের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিকে এ ধরনের কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের মাধ্যমে কখনোই ব্যাহত করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, শাহাদাতের রক্ত বৃথা যাবে না এবং ইরান তার নীতি থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবে না।
ইরানের সংবিধানের ১১১ ধারা অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাজগুলো সাময়িকভাবে তদারকি করে এই অন্তর্বর্তী পরিষদ। এই পরিষদে বিচার বিভাগের প্রধান ছাড়াও রয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরিস্ট বা ফকিহ। আইন অনুযায়ী, অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস স্থায়ী উত্তরসূরি নির্বাচন না করা পর্যন্ত তাঁরাই যৌথভাবে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবারের ভয়াবহ হামলার পর থেকে ইরানের সংসদ স্পিকার, নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিচার বিভাগের প্রধানদের প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ায় জনমনে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। গুঞ্জন ছিল যে তাঁরাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন। তবে মোহসেনি-ইজেইর এই বার্তার পর প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে এই ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্তরে সামরিক উত্তেজনা মোকাবিলা করাই এখন এই পরিষদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। এদিকে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোতে আজ সকাল থেকেই শোকের মাতম চলছে এবং সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন