ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি–গোসাইবাড়ি পাকা সড়কের পাশে পুকুর খননের আড়ালে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রঘুনাথপুর গ্রামের জহুরুল ইসলাম তার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে পুকুর খননের নামে এক্সকেভেটর ব্যবহার করে রাস্তার একেবারে পাশ ঘেঁষে গভীরভাবে মাটি কাটছেন এবং সেই মাটি ট্রলি ও ট্রাক্টরযোগে বিভিন্ন ইটভাটা ও ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা এই কার্যক্রমের ফলে সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার কোল ঘেঁষে বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় পাকা সড়কটি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে এবং ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খননস্থলে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে তা ট্রলিতে তোলা হচ্ছে এবং সারা দিন ধরেই মাটিবোঝাই যান চলাচল করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গ্রামীণ সড়কের দুই পাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে পুকুরের পাড় বা গভীর খনন করার বিধিনিষেধ রয়েছে, যাতে সড়কের ভিত্তি দুর্বল না হয়। কিন্তু এখানে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না। অতিরিক্ত মাটিবোঝাই ট্রাক ও ট্রলির চাপে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্মিত কম ওজন সহনশীল সড়কগুলো দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বৃষ্টির মৌসুমে গর্তে পানি জমে রাস্তার অংশ ধসে পড়তে পারে এবং কাদা তৈরি হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। পাশাপাশি ধুলাবালি ও পরিবেশ দূষণের কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলেও তারা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জহুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি নিজের জমিতে পুকুর খনন ও পাড় বাঁধাই করছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অল্প পরিমাণ মাটি গ্রামের মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নকাজে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হচ্ছে এবং এতে সড়কের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে স্থানীয়দের বক্তব্য, বাস্তবে ব্যাপক আকারে মাটি সরানো হচ্ছে এবং তা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতিলতা বর্মন বলেন, মাটি কেটে বিক্রির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত ও অবৈধ মাটি কাটা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সড়ক রক্ষা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করা যায়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি–গোসাইবাড়ি পাকা সড়কের পাশে পুকুর খননের আড়ালে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রঘুনাথপুর গ্রামের জহুরুল ইসলাম তার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে পুকুর খননের নামে এক্সকেভেটর ব্যবহার করে রাস্তার একেবারে পাশ ঘেঁষে গভীরভাবে মাটি কাটছেন এবং সেই মাটি ট্রলি ও ট্রাক্টরযোগে বিভিন্ন ইটভাটা ও ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা এই কার্যক্রমের ফলে সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার কোল ঘেঁষে বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় পাকা সড়কটি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে এবং ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খননস্থলে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে তা ট্রলিতে তোলা হচ্ছে এবং সারা দিন ধরেই মাটিবোঝাই যান চলাচল করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গ্রামীণ সড়কের দুই পাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে পুকুরের পাড় বা গভীর খনন করার বিধিনিষেধ রয়েছে, যাতে সড়কের ভিত্তি দুর্বল না হয়। কিন্তু এখানে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না। অতিরিক্ত মাটিবোঝাই ট্রাক ও ট্রলির চাপে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্মিত কম ওজন সহনশীল সড়কগুলো দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বৃষ্টির মৌসুমে গর্তে পানি জমে রাস্তার অংশ ধসে পড়তে পারে এবং কাদা তৈরি হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। পাশাপাশি ধুলাবালি ও পরিবেশ দূষণের কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলেও তারা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জহুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি নিজের জমিতে পুকুর খনন ও পাড় বাঁধাই করছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অল্প পরিমাণ মাটি গ্রামের মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নকাজে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হচ্ছে এবং এতে সড়কের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে স্থানীয়দের বক্তব্য, বাস্তবে ব্যাপক আকারে মাটি সরানো হচ্ছে এবং তা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতিলতা বর্মন বলেন, মাটি কেটে বিক্রির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত ও অবৈধ মাটি কাটা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সড়ক রক্ষা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন