ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত এই ভয়াবহ হামলার পর উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা রোববারও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন। হামলার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ মিনাবের এই 'শাজাবা তাইয়্যেবা' বিদ্যালয়টি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র প্রায় ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টি এক সময় সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে বিদ্যালয়টির ভেতরে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র উঠে এসেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে তিনি বিদ্যালয়টিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কিনা তা স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেননি।
এই হামলার ঘটনায় ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে একে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে। নিরপরাধ শিশুদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রাথমিকভাবে নিহতের সংখ্যা ১০৮ জন বলে জানানো হয়েছিল। পরে রোববার সকালে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত এই ভয়াবহ হামলার পর উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা রোববারও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন। হামলার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ মিনাবের এই 'শাজাবা তাইয়্যেবা' বিদ্যালয়টি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র প্রায় ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টি এক সময় সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে বিদ্যালয়টির ভেতরে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র উঠে এসেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে তিনি বিদ্যালয়টিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কিনা তা স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেননি।
এই হামলার ঘটনায় ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে একে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছে। নিরপরাধ শিশুদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রাথমিকভাবে নিহতের সংখ্যা ১০৮ জন বলে জানানো হয়েছিল। পরে রোববার সকালে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮ জনে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন