ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর এবং জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি ও সর্বোচ্চ নেতার সিনিয়র উপদেষ্টা আলী শামখানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এই দুই শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরনা। মোহাম্মদ পাকপুর ২০২৫ সালের জুনে মাত্র ১২ দিনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে তাঁর পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর আইআরজিসির সর্বোচ্চ পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হওয়ার আগে তিনি টানা ১৬ বছর আইআরজিসির স্থলবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি আইআরজিসির সাঁজোয়া ইউনিটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে নাজাফ আশরাফের ৮ম ডিভিশন ও আশুরার ৩১তম ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন।
অপরদিকে আলী শামখানিও ইরান-ইরাক যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তা এবং পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকপুর ও শামখানি — দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিলেন।
একই দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু ঘোষণার পর তাঁর দুই শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার মৃত্যুর খবর ইরানের নেতৃত্বকে একটি চরম সংকটময় মুহূর্তের মুখোমুখি করেছে। একসঙ্গে এতজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার মৃত্যুতে ইরানের সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কতটা ব্যাহত হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠছে। ইরান দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। এর পাশাপাশি ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর এবং জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি ও সর্বোচ্চ নেতার সিনিয়র উপদেষ্টা আলী শামখানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এই দুই শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরনা। মোহাম্মদ পাকপুর ২০২৫ সালের জুনে মাত্র ১২ দিনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে তাঁর পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর আইআরজিসির সর্বোচ্চ পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হওয়ার আগে তিনি টানা ১৬ বছর আইআরজিসির স্থলবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি আইআরজিসির সাঁজোয়া ইউনিটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে নাজাফ আশরাফের ৮ম ডিভিশন ও আশুরার ৩১তম ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন।
অপরদিকে আলী শামখানিও ইরান-ইরাক যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তা এবং পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকপুর ও শামখানি — দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিলেন।
একই দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু ঘোষণার পর তাঁর দুই শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার মৃত্যুর খবর ইরানের নেতৃত্বকে একটি চরম সংকটময় মুহূর্তের মুখোমুখি করেছে। একসঙ্গে এতজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার মৃত্যুতে ইরানের সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কতটা ব্যাহত হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠছে। ইরান দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। এর পাশাপাশি ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন