ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমাবর্ষণের প্রতিশোধ হিসেবে এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ দফার পাল্টা হামলা। এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ছাড়াও অন্তর্ভুক্ত ছিল ইসরায়েলের তেল নোফ বিমান ঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর 'হাকিরিয়া' এবং একই শহরে অবস্থিত একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স।
ইরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই হামলা কেবল শুরু। ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালিত হবে, যা শত্রুপক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের সম্মুখীন করবে।
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে খামেনির উপদেষ্টা শামখানি ও আইআরজিসি প্রধান পাকপুরও এই যুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে ইরান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতের মাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। চীন ইতোমধ্যে 'রেড লাইন' অতিক্রম না করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমাবর্ষণের প্রতিশোধ হিসেবে এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ দফার পাল্টা হামলা। এই অভিযানে ইসরায়েল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ছাড়াও অন্তর্ভুক্ত ছিল ইসরায়েলের তেল নোফ বিমান ঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর 'হাকিরিয়া' এবং একই শহরে অবস্থিত একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্স।
ইরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই হামলা কেবল শুরু। ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালিত হবে, যা শত্রুপক্ষকে একের পর এক শোচনীয় আঘাতের সম্মুখীন করবে।
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে খামেনির উপদেষ্টা শামখানি ও আইআরজিসি প্রধান পাকপুরও এই যুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে ইরান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতের মাত্রা যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। চীন ইতোমধ্যে 'রেড লাইন' অতিক্রম না করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন