মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার জবাবে ইরান ছয়টি দেশে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে ছিল কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আবুধাবির পর দুবাই ও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে মিসাইল আঘাতের চেষ্টা করা হয়েছে। কুয়েতের আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হয়েছে।
বাহরাইনের রাজধানী মানামায় মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যাট্রিয়ট সিস্টেম ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সকল মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটি ও স্থাপনা ইরানের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এই হামলা ইরানের সম্ভাব্য হুমকি দূর করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঘাঁটি ও সমর্থিত অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক পরিবহণের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার জবাবে ইরান ছয়টি দেশে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে ছিল কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আবুধাবির পর দুবাই ও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে মিসাইল আঘাতের চেষ্টা করা হয়েছে। কুয়েতের আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হয়েছে।
বাহরাইনের রাজধানী মানামায় মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যাট্রিয়ট সিস্টেম ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সকল মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটি ও স্থাপনা ইরানের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এই হামলা ইরানের সম্ভাব্য হুমকি দূর করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঘাঁটি ও সমর্থিত অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক পরিবহণের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন