ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির অন্তত পাঁচটি প্রধান শহরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশজুড়ে চিকিৎসা খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই নজিরবিহীন হামলার পর ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরান ছাড়াও ইস্পাহান, কোম, কারাজ এবং কেরমানশাহ শহরে একযোগে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের অত্যন্ত জনবহুল এলাকা ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ এবং ‘রিপাবলিক’ স্কয়ারে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর এসব এলাকা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব বড় হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের ছুটি বাতিল করে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “হাসপাতালগুলোতে সতর্কতা জারি রয়েছে এবং আমরা রক্তসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের মজুত নিশ্চিত করছি। হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণের কাজ চলছে, যা উদ্ধার অভিযান শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”
সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কোম ও ইস্পাহানের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে হামলা চালিয়ে ইরানকে একপ্রকার পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করছে ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী। বিশেষ করে ধর্মীয় শহর কোম এবং পারমাণবিক স্থাপনার জন্য পরিচিত ইস্পাহানে হামলা চালানোয় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার পর থেকে তেহরানে মুহুর্মুহু সাইরেন বাজতে শোনা যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এখন পর্যন্ত এই ভয়াবহ হামলায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে হামলার তীব্রতা দেখে আশঙ্কা করা হচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে এই আগ্রাসনের ‘ভয়াবহ ও বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আসায় পুরো অঞ্চল এখন এক মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির অন্তত পাঁচটি প্রধান শহরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশজুড়ে চিকিৎসা খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই নজিরবিহীন হামলার পর ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরান ছাড়াও ইস্পাহান, কোম, কারাজ এবং কেরমানশাহ শহরে একযোগে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের অত্যন্ত জনবহুল এলাকা ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ এবং ‘রিপাবলিক’ স্কয়ারে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর এসব এলাকা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব বড় হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের ছুটি বাতিল করে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “হাসপাতালগুলোতে সতর্কতা জারি রয়েছে এবং আমরা রক্তসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের মজুত নিশ্চিত করছি। হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণের কাজ চলছে, যা উদ্ধার অভিযান শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”
সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কোম ও ইস্পাহানের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে হামলা চালিয়ে ইরানকে একপ্রকার পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করছে ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনী। বিশেষ করে ধর্মীয় শহর কোম এবং পারমাণবিক স্থাপনার জন্য পরিচিত ইস্পাহানে হামলা চালানোয় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার পর থেকে তেহরানে মুহুর্মুহু সাইরেন বাজতে শোনা যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এখন পর্যন্ত এই ভয়াবহ হামলায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে হামলার তীব্রতা দেখে আশঙ্কা করা হচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে এই আগ্রাসনের ‘ভয়াবহ ও বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আসায় পুরো অঞ্চল এখন এক মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন