ঢাকা সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন শাহবাজ শরিফ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফাঁকে এই বার্তা সামনে আসে। সেখানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ইসহাক দার জানান, শাহবাজ শরিফ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছেন এবং সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা সফর করতে ইচ্ছুক।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেদ্দায় ওআইসি-র ফিলিস্তিন বিষয়ক কার্যনির্বাহী সভার ফাঁকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎ ঘটে। আলোচনায় অতীত সম্পর্কের বিষয়ও উঠে আসে, যেখানে ইসহাক দার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র সঙ্গে পূর্ববর্তী সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগোবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে ইসলামাবাদের। পাশাপাশি ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন শাহবাজ শরিফ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফাঁকে এই বার্তা সামনে আসে। সেখানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ইসহাক দার জানান, শাহবাজ শরিফ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছেন এবং সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা সফর করতে ইচ্ছুক।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেদ্দায় ওআইসি-র ফিলিস্তিন বিষয়ক কার্যনির্বাহী সভার ফাঁকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎ ঘটে। আলোচনায় অতীত সম্পর্কের বিষয়ও উঠে আসে, যেখানে ইসহাক দার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র সঙ্গে পূর্ববর্তী সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগোবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে ইসলামাবাদের। পাশাপাশি ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন