রাজধানীতে ছয় বছর বয়সী শিশু তাহিয়া তাসনিম হত্যাকাণ্ডের মামলার প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যিনি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে শিশু তাহিয়ার মৃত্যু দেশের মানুষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করেছে। তবে মামলার প্রক্রিয়ায় পরিবারের ওপর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠায় মামলা পরিচালনার ওপর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “শিশু তাহিয়ার হত্যাকাণ্ড কেবল মানবিক সংকট নয়, এটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক শৈথিল্যের প্রতিফলন। মামলার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব পড়তে দেওয়া যাবে না।” তিনি হুমকি ও চাপকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সরকারের কাছে পরিবারের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি একইসঙ্গে দেশের অন্যান্য নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোও উল্লেখ করেছেন। তার মন্তব্য, এসব ঘটনা গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
মামলার বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে, পুলিশ ও প্রশাসন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। জনমতের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হচ্ছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীতে ছয় বছর বয়সী শিশু তাহিয়া তাসনিম হত্যাকাণ্ডের মামলার প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যিনি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে শিশু তাহিয়ার মৃত্যু দেশের মানুষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করেছে। তবে মামলার প্রক্রিয়ায় পরিবারের ওপর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠায় মামলা পরিচালনার ওপর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “শিশু তাহিয়ার হত্যাকাণ্ড কেবল মানবিক সংকট নয়, এটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক শৈথিল্যের প্রতিফলন। মামলার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব পড়তে দেওয়া যাবে না।” তিনি হুমকি ও চাপকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সরকারের কাছে পরিবারের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি একইসঙ্গে দেশের অন্যান্য নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোও উল্লেখ করেছেন। তার মন্তব্য, এসব ঘটনা গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
মামলার বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে, পুলিশ ও প্রশাসন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। জনমতের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন