হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট বা বিশেষ রঙের লবণ এখন অনেকের রান্নাঘরের প্রধান আয়টেম। সামাজিক প্রচার ও বিজ্ঞাপন প্রায়ই এটি সাধারণ নুনের চেয়ে স্বাস্থ্যকর এবং খনিজসমৃদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
ডায়েট ও ন্যূট্রিশন বিশেষজ্ঞরা জানান, পিঙ্ক সল্টে পর্যাপ্ত আয়োডিন নেই। তাই একমাত্র পিঙ্ক সল্ট ব্যবহার করলে শিশু ও নারীদের থাইরয়েড ফাংশনের সমস্যা বা গয়টারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। “দৈনন্দিন খাবারে আইসোডাইজড নুনের বদলে শুধুমাত্র পিঙ্ক সল্ট রাখলে শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে,” বলে সতর্ক করেছেন একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট।
অতিরিক্ত সোডিয়ামের কারণে পিঙ্ক সল্ট রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি তৈরি করে। সোডিয়াম বেশি থাকলে শরীর পানি ধরে রাখে, ফলে মুখ ও পায়ে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়াও কিডনি অতিরিক্ত কাজ করার কারণে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
হাড়ের স্বাস্থ্যও এর থেকে বঞ্চিত নয়। বেশি সোডিয়াম ক্যালসিয়ামের ক্ষতি করতে সাহায্য করে, যা হাড় দুর্বলতা ও ফোলাভাবের ঝুঁকি বাড়ায়। ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে পেশীতে খিঁচুনি ও অনিয়মিত হার্টবিটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিঙ্ক সল্টকে “সুপারফুড” ভাবা বিভ্রান্তিকর। এতে কিছু ছোট খনিজ উপাদান থাকলেও তা শরীরের বড় প্রভাব ফেলে না। তাই দৈনন্দিন লবণের পরিমাণ প্রায় ৫ গ্রাম বা এক চা‑চামচের বেশি রাখা উচিত নয়। থাইরয়েড সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগ থাকলে আইসোডাইজড নুন ব্যবহার করাই নিরাপদ।
পিঙ্ক সল্টের অতিরিক্ত ব্যবহার থাইরয়েড সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি চাপ, হাড় দুর্বলতা ও ফোলাভাবের ঝুঁকি বাড়ায়। সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং খাদ্যকে স্বাদযুক্ত রাখে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট বা বিশেষ রঙের লবণ এখন অনেকের রান্নাঘরের প্রধান আয়টেম। সামাজিক প্রচার ও বিজ্ঞাপন প্রায়ই এটি সাধারণ নুনের চেয়ে স্বাস্থ্যকর এবং খনিজসমৃদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
ডায়েট ও ন্যূট্রিশন বিশেষজ্ঞরা জানান, পিঙ্ক সল্টে পর্যাপ্ত আয়োডিন নেই। তাই একমাত্র পিঙ্ক সল্ট ব্যবহার করলে শিশু ও নারীদের থাইরয়েড ফাংশনের সমস্যা বা গয়টারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। “দৈনন্দিন খাবারে আইসোডাইজড নুনের বদলে শুধুমাত্র পিঙ্ক সল্ট রাখলে শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে,” বলে সতর্ক করেছেন একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট।
অতিরিক্ত সোডিয়ামের কারণে পিঙ্ক সল্ট রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি তৈরি করে। সোডিয়াম বেশি থাকলে শরীর পানি ধরে রাখে, ফলে মুখ ও পায়ে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়াও কিডনি অতিরিক্ত কাজ করার কারণে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
হাড়ের স্বাস্থ্যও এর থেকে বঞ্চিত নয়। বেশি সোডিয়াম ক্যালসিয়ামের ক্ষতি করতে সাহায্য করে, যা হাড় দুর্বলতা ও ফোলাভাবের ঝুঁকি বাড়ায়। ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে পেশীতে খিঁচুনি ও অনিয়মিত হার্টবিটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিঙ্ক সল্টকে “সুপারফুড” ভাবা বিভ্রান্তিকর। এতে কিছু ছোট খনিজ উপাদান থাকলেও তা শরীরের বড় প্রভাব ফেলে না। তাই দৈনন্দিন লবণের পরিমাণ প্রায় ৫ গ্রাম বা এক চা‑চামচের বেশি রাখা উচিত নয়। থাইরয়েড সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগ থাকলে আইসোডাইজড নুন ব্যবহার করাই নিরাপদ।
পিঙ্ক সল্টের অতিরিক্ত ব্যবহার থাইরয়েড সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি চাপ, হাড় দুর্বলতা ও ফোলাভাবের ঝুঁকি বাড়ায়। সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং খাদ্যকে স্বাদযুক্ত রাখে।

আপনার মতামত লিখুন