কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর এলাকায় সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা-কে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া পোস্ট ও ভিডিও ক্লিপে তাকে বলতে শোনা যায়, “চাঁদা চাইলে বলবেন, মাওলানার কাছেই দেওয়া আছে… দেখি কোন বাবার ব্যাটা আসে আমার কাছে!” -এমন ভাষা ব্যবহার করে তিনি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, খাজানগর বাজার ও আশপাশের এলাকায় সম্প্রতি চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এমপি আমির হামজা বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। উপস্থিত কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তিনি মূলত ব্যবসায়ীদের সাহস জোগাতে এবং অনৈতিক দাবির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানাতেই এমন মন্তব্য করেন। তবে বক্তব্যের যে অংশটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ বক্তব্যের একটি খণ্ডাংশ কি না, সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
খাজানগর এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করছিল। এ পরিস্থিতিতে তারা জনপ্রতিনিধির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত সভায় এমপি কঠোর ভাষায় চাঁদাবাজদের সতর্ক করেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, একজন সংসদ সদস্যের ভাষা আরও সংযত হওয়া উচিত ছিল এবং এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভুল বার্তা দিতে পারে।
এ বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানতে এমপি আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী জানান, বক্তব্যটি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষ্য, সংসদ সদস্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, খাজানগর এলাকায় চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনায় কেউ প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে উদ্ধৃত বক্তব্যটি কোন প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছে, সেটি যাচাই না করে চূড়ান্ত মন্তব্য করা কঠিন। তবে স্থানীয়ভাবে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর এলাকায় সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা-কে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া পোস্ট ও ভিডিও ক্লিপে তাকে বলতে শোনা যায়, “চাঁদা চাইলে বলবেন, মাওলানার কাছেই দেওয়া আছে… দেখি কোন বাবার ব্যাটা আসে আমার কাছে!” -এমন ভাষা ব্যবহার করে তিনি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, খাজানগর বাজার ও আশপাশের এলাকায় সম্প্রতি চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এমপি আমির হামজা বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। উপস্থিত কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তিনি মূলত ব্যবসায়ীদের সাহস জোগাতে এবং অনৈতিক দাবির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানাতেই এমন মন্তব্য করেন। তবে বক্তব্যের যে অংশটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ বক্তব্যের একটি খণ্ডাংশ কি না, সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
খাজানগর এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করছিল। এ পরিস্থিতিতে তারা জনপ্রতিনিধির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত সভায় এমপি কঠোর ভাষায় চাঁদাবাজদের সতর্ক করেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, একজন সংসদ সদস্যের ভাষা আরও সংযত হওয়া উচিত ছিল এবং এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভুল বার্তা দিতে পারে।
এ বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানতে এমপি আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যক্তিগত সহকারী জানান, বক্তব্যটি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষ্য, সংসদ সদস্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, খাজানগর এলাকায় চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনায় কেউ প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে উদ্ধৃত বক্তব্যটি কোন প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছে, সেটি যাচাই না করে চূড়ান্ত মন্তব্য করা কঠিন। তবে স্থানীয়ভাবে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন