২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে শ্রীলঙ্কার বিদায়ের পর গ্রুপ-২ থেকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালিস্ট হওয়ার লড়াই এখন মূলত নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কাকে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিউজিল্যান্ড গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। সেই জয়ের সুবাদে মিচেল স্যান্টনারের দলের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে তিন এবং নেট রানরেট হয়েছে +৩.০৫০। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কিউইদের সেমিফাইনালের দরজায় প্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা সংকটাপন্ন। সুপার এইটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হওয়ায় এক পয়েন্ট পায় তারা। কিন্তু এরপর মঙ্গলবারের ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে মাত্র ২ উইকেটে পরাজিত হয়ে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে বাবর-শাহীনরা। দুই ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট মাত্র একটি, নেট রানরেট -০.৪৬১।
পয়েন্ট তালিকায় ইংল্যান্ড চার পয়েন্ট নিয়ে এরই মধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিয়েছে। শ্রীলঙ্কাও ছিটকে গেছে। ফলে গ্রুপ-২ থেকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারিত হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্য থেকে।
পাকিস্তানের সামনে সেমিফাইনালের পথ এখনো খোলা, তবে সেটি নিজেদের হাতে নেই। পাকিস্তানকে সবার আগে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। পাশাপাশি শুক্রবারের (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে যদি ইংল্যান্ড জেতে এবং নিউজিল্যান্ড পরবর্তী ম্যাচেও পরাজিত হয়, তাহলেই পাকিস্তানের সেমিফাইনাল যাত্রার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে সে ক্ষেত্রে নেট রানরেটের জটিল হিসাবও মেটাতে হবে।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড যদি শুক্রবার ইংল্যান্ডকে হারাতে পারে, তাহলে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষ থেকে সেমিফাইনালে পা দেবে কিউইরা এবং পাকিস্তানের সব আশা-ভরসা চূর্ণ হয়ে যাবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগেও বেশ কয়েকবার জটিল সমীকরণের মুখে পড়েছে পাকিস্তান, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি যেন সবচেয়ে প্রতিকূল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে শ্রীলঙ্কার বিদায়ের পর গ্রুপ-২ থেকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালিস্ট হওয়ার লড়াই এখন মূলত নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কাকে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিউজিল্যান্ড গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। সেই জয়ের সুবাদে মিচেল স্যান্টনারের দলের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে তিন এবং নেট রানরেট হয়েছে +৩.০৫০। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কিউইদের সেমিফাইনালের দরজায় প্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা সংকটাপন্ন। সুপার এইটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হওয়ায় এক পয়েন্ট পায় তারা। কিন্তু এরপর মঙ্গলবারের ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে মাত্র ২ উইকেটে পরাজিত হয়ে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে বাবর-শাহীনরা। দুই ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট মাত্র একটি, নেট রানরেট -০.৪৬১।
পয়েন্ট তালিকায় ইংল্যান্ড চার পয়েন্ট নিয়ে এরই মধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিয়েছে। শ্রীলঙ্কাও ছিটকে গেছে। ফলে গ্রুপ-২ থেকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারিত হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্য থেকে।
পাকিস্তানের সামনে সেমিফাইনালের পথ এখনো খোলা, তবে সেটি নিজেদের হাতে নেই। পাকিস্তানকে সবার আগে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। পাশাপাশি শুক্রবারের (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে যদি ইংল্যান্ড জেতে এবং নিউজিল্যান্ড পরবর্তী ম্যাচেও পরাজিত হয়, তাহলেই পাকিস্তানের সেমিফাইনাল যাত্রার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে সে ক্ষেত্রে নেট রানরেটের জটিল হিসাবও মেটাতে হবে।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড যদি শুক্রবার ইংল্যান্ডকে হারাতে পারে, তাহলে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষ থেকে সেমিফাইনালে পা দেবে কিউইরা এবং পাকিস্তানের সব আশা-ভরসা চূর্ণ হয়ে যাবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগেও বেশ কয়েকবার জটিল সমীকরণের মুখে পড়েছে পাকিস্তান, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি যেন সবচেয়ে প্রতিকূল।

আপনার মতামত লিখুন